আপডেট : ৮ মার্চ, ২০১৬ ১১:৩৫

রায় বিচার-বিশ্লেষণের দায়িত্ব ভবিষ্যত ইতিহাসের ওপর

অনলাইন ডেস্ক
রায় বিচার-বিশ্লেষণের দায়িত্ব ভবিষ্যত ইতিহাসের ওপর

জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় আপিল বিভাগে বহাল রাখা প্রসঙ্গে তার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘ভবিষ্যতের ইতিহাস এ রায় পর্যালোচনা করবে। বিচার-বিশ্লেষণের দায়িত্ব ভবিষ্যত ইতিহাসের ওপর।’

মীর কাসেম আলীর রায়ের পরে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির কক্ষে মঙ্গলবার সকালে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ সব কথা বলেন তিনি।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন এ মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ নিয়ে শুনানিতে আমরা কী বলেছি, অ্যাটর্নি জেনারেল কী বলেছেন এবং উচ্চ আদালত কী বলেছেন। এখন রায় হয়েছে। যেহেতু সর্বোচ্চ আদালতের রায়, তাই আইনজীবী হিসেবে এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য নেই। সর্বোচ্চ আদালতের এ রায় মানতেই হবে।’

শুধু আমি বলব, ‘ভবিষ্যতের ইতিহাস এ রায় পর্যালোচনা করবে। বিচার-বিশ্লেষণের দায়িত্ব ভবিষ্যত ইতিহাসের ওপর।’ রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি হাতে পাওয়ার পর তার পরিবার রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান তিনি। পরে কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’ এর আগে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন—সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, মির্জা হোসেইন হায়দার ও মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধে কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শহীদ কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিনসহ ছয়জনকে হত্যা-গণহত্যার দায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১১ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আপিল বিভাগেও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাথা হয়। এ ছাড়া ১২ নম্বর অভিযোগে রঞ্জিত দাস লাতু ও টুন্টু সেন রাজুকে হত্যার দায়েও কাসেমের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তবে চূড়ান্ত রায়ে প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এ ছাড়া কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত অপর অভিযোগগুলো বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

 

উপরে