আপডেট : ৬ মার্চ, ২০১৬ ১৪:২০

ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ বন্ধে রিট শুনানি

বিডিটাইমস ডেস্ক
ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ বন্ধে রিট শুনানি

বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে পুলিশের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি সোমবার।

রবিবার সকালে রিট আবেদনকারী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া আবেদনটি শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করেন।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। ওই দিন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
 
লিগ্যাল নোটিশের জবাব না পেয়ে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রিটে আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ডিএমপি কমিশনারকে বিবাদী করা হয়।

এর আগে গত ১ মার্চ ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রমথেকে পুলিশকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ দেন এক আইনজীবী। আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর কমিশনারকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। পরদিন ২ মার্চ এ বিষয়ে আরেকটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান অন্য এক আইনজীবী।

ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া বলেন, ‘আইন মেনে চলা একজন নাগরিক হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনগত সহায়তা করতে আমি ইচ্ছুক। তবে যে সহায়তা তারা চাইছেন তা তাদের আইনগত এখতিয়ারে পড়ে না। এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়ার মতো কোনো আইনি সুযোগ পুলিশের নেই।’

 

নাগরিকদের যেসব ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য পুলিশ যেভাবে সংগ্রহ করছে তা করার মতো প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পুলিশের নেই বলে রিটে উল্লেখ করেন তিনি।

‘এসব তথ্যের অপব্যবহার হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া এসব তথ্য যদি কোনো ভুল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে পড়ে, তাহলে ব্যক্তির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হারানোর যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।’

সংবিধানে নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার যে অধিকার দেওয়া হয়েছে পুলিশের এ উদ্যোগে তাও ভঙ্গ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এ আশঙ্কা থেকেই তিনি রিট আবেদনটি করেছেন বলেও জানান।

প্রসঙ্গত, ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে এক পৃষ্ঠার যে ফরম ভাড়াটিয়াদের পূরণ করতে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে ভাড়াটিয়ার ছবির পাশাপাশি তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, ফোন নম্বর, জন্ম তারিখসহ বাসার বাসিন্দা এবং গৃহকর্মী ও ড্রাইভারের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে