আপডেট : ৪ মার্চ, ২০১৬ ১১:০৮

হাইওয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করবে হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীরা

বিডিটাইমস ডেস্ক
হাইওয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করবে হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীরা

মাদক চোরাচালান ও ডাকাতিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে মহাসড়কের ভাসমান হকার ও ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করছে হাইওয়ে পুলিশ। আর এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছে মহাসড়কের সব বাসস্ট্যান্ডের হকার ও ব্যবসায়ীরাও। ইতোমধ্যে বাসস্ট্যান্ডগুলোর ভাসমান হকার ও ব্যবসায়ীদের নাম, ঠিকানা, মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে ছবিসহ তালিকাও প্রস্তুত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। এখন অঞ্চল ভেদে পৃথক তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
 হাইওয়ে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গাজীপুর, কুমিল্লা, মাদারীপুর ও বগুড়া অঞ্চলের মহাসড়ক, বাস টার্মিনাল ও স্টপেজে ভাসমান হকার ও ব্যবসায়ীদের তালিকা মোট ৩৩টি ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৪২৫ জন হকার। তারা মহাসড়কের মোট ৭৮টি স্থানে অবস্থান করছে।
 মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও জনসাধারণ বিভিন্ন সময়ে অসাবধানতাবশত বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। বিশেষ করে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব হারানোসহ ব্যক্তি জীবন নিয়ে বিপদে পড়ছে। অনেক সময় হকার, ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা ও মৌসুমী ফল বিক্রেতা সেজে বাসস্ট্যান্ড ও স্টপেজ এবং জনসমাগমস্থলে ছদ্মবেশে যাত্রী ও জনসাধারণকে ধোঁকা দেওয়া হয়ে থাকে। যাত্রীদের হয়রানি অথবা অজ্ঞান করে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্রও নিয়ে যাচ্ছে এই চক্রের সদস্যরা।
 
যদি কোনো যাত্রী বা জনসাধারণ হকার ছদ্মবেশী অপরাধীদের হয়রানির শিকার হয়, তবে হাইওয়ে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারবে। এদিকে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এই হকাররা সরাসরি পুলিশকে তথ্য জানাতে পারবে।  এছাড়াও রাতে বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক চোরাচালানের মত অপরাধমূলক ঘটনাও ঘটছে। হাইওয়ে পুলিশের মতে, বিশেষ করে ঈদ, দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসবে মহাসড়কে অপরাধ তৎপরতা বেড়ে যায়।
 এসব অপরাধ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার এবং মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে সব মহাসড়কে থাকা ভাসমান হকার ও ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এতে মহাসড়কগুলোতে অপরাধ অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। যাত্রী ও জনসাধারণ নিশ্চিন্তে চলাচলের আস্থা পাবে। কারণ হাইওয়ে পুলিশ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষদের  সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে।
 

উপরে