আপডেট : ৩ মার্চ, ২০১৬ ১৩:২২

১/১১'র আলোচিত দুদক সচিবের আত্মহত্যা

বিডিটাইমস ডেস্ক
১/১১'র আলোচিত দুদক সচিবের আত্মহত্যা

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারে কলাতলীর হোটেল সী-হেভেনে গলায় গামছা বেঁধে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মত্যাকারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি ১/১১ এর সময়ে দুদকের আলোচিত সচিব ছিলেন।

আত্মহত্যার আগে লেখে গেছেন আট পৃষ্ঠার নোট। যেখানে আত্মহত্যার অনেক কারণই উল্লেখ্য করেছেন তিনি।

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল সী-হেভেন গেস্ট হোম থেকে উদ্ধার করা বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ ও পরে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ব্যক্তি তিনি। তিনি ভুমি মন্ত্রণালয় ও দুদকের সাবেক সচিব দেলোয়ার হোসেন।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ২৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ৩ টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল সী-হেভেন গেস্ট হোম হোটেলের ১০১ নং কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে তার লেখা সুইসাইড নোট। সুইসাইড নোটে তিনি নিজের নাম ও তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় বলে উল্লেখ করেন।

ওসি জানান, কোন পরিচয় না পাওয়ায় উদ্ধার হওয়া লাশটি ১ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে শহরের ঘোনারপাড়াস্থ কবরস্থানে দাফন করেছে কক্সবাজার পৌরসভা। লাশ দাফনের পর তার কাছে পুর্বে পাওয়া এক মোবাইল নাম্বর থেকে জানতে পারি তিনি ভুমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব। ১/১১ এর সময় দুদকের সচিব ছিলেন, সাভারের বিপিএটির সাবেক রেজিস্টর ছিলেন। তার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়ায় বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, উনার কোন ছেলে মেয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তবে এক আত্মীয় যোগাযোগ করেছে।

পুলিশ জানায়, পোস্টমর্টেম করে দাফন করা হয়েছে। তবে রির্পোট এখনো পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা কক্সবাজার সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহীদুল ইসলাম জানান, হোটেল কক্ষের ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে বাধা ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছিল। লাশের সঙ্গে ৮ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়। তাতে কোন পরিচয় জানা যায়নি। সুইসাইড নোটে শুধুমাত্র নাম উল্লেখ ছিল। হোটেলের খাতায় পরিচয় এন্ট্রি নেই।

এ ব্যাপারে হোটেল হোটেল সী-হেভেন গেস্ট হোম এর জি এম শেখ মকবুল আহমদ বলেন, এ মুরব্বি ২ মাসের জন্য গত ৩ ফেব্রুয়ারি আমার হোটেলে উঠে। ২ মাসের ভাড়া বাবত ২৪ হাজার টাকা জমা দেন। তখন নিজের নাম শাহরিয়ার কামাল বলে জানিয়ে ছিলেন। তার ঠিকানা ও অন্য কিছু না জানতে অনুরোধ করায় হোটেল কর্তৃপক্ষ আর জানতে চাননি বলে জানান জি এম মকবুল।

হোটেলে উঠার কয়েক দিন পর তিনি বিআরটিসির অবসরপ্রাপ্ত সচিব বলে উল্লেখ করেছিলেন বলে জানান হোটেল ম্যানেজার সোহেল। সূত্র-যুগান্তর

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে