আপডেট : ৩ মার্চ, ২০১৬ ১২:২৩

সাত খুন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাত খুন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুই মামলার একটির বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটির সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। সেলিনা ইসলাম বিউটি নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আইনজীবীদের উপস্থিতিতে আদালতে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে নূর হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জনকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাজির করা হয়।

এর আগে সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দুই মামলার দুই জন বাদী বিজয় পাল ও সেলিনা ইসলাম বিউটির সাক্ষ্যগ্রহণের কথা থাকলেও আদালত বউটির সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ৩ মার্চ নির্ধারণ করে। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে প্রায় একবছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্র থেকে পাঁচ আসামিকে বাদ দেওয়ায় এবং প্রধান আসামি নূর হোসেনের জবানবন্দি ছাড়া অভিযোগপত্র আদালত আমলে নেওয়ায় নারাজি আবেদন করেন সেলিনা ইসলাম বিউটি। আবেদনটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও জজ আদালতে খারিজ হয়ে গেলে বিউটি উচ্চ আদালতে যান। হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, পুলিশ চাইলে মামলাটির অধিকতর তদন্ত করতে পারে এবং হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার ধারা যুক্ত করে নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক। গত ১২ নভেম্বর নূর হোসেনকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর ১৩ নভেম্বর সাত খুনের দুটি মামলাসহ ১১ মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। ১১টি মামলার মধ্যে সাত খুনের দু’টি মামলা, চাঁদাবাজির তিনটি এবং অস্ত্র আইনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলাগুলো রয়েছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে