আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৭:২১

গ্রাম পুলিশের বেহাল দশা, বেতন মিলেনি মাসের পর মাস

বিডিটাইমস ডেস্ক
গ্রাম পুলিশের বেহাল দশা, বেতন মিলেনি মাসের পর মাস

রাজীবপুর তিন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, দফাদার ও গ্রামপুলিশ (মহল্লাদার) গত ১৫ মাস বেতন পাচ্ছেন না। উপজেলার হাটবাজার লব্দের আয়ের শতকরা ৪০ ভাগ ও ভূমি হস্তান্তরের শতকরা ১ ভাগ টাকায় তাদের বেতন পরিশোধের সরকারী নিয়ম থাকলেও এখানে তা মানা হয়নি। বেতন-ভাতা না পেয়ে দফাদার, গ্রামপুলিশের ৩০ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।

গত ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫ মাসের বেতন পাননি পরিষদের সচিব, দফাদার ও গ্রামপুলিশ।

এদের মধ্যে আয়নাল হক (৪৫) নামের গ্রামপুলিশ তীব্র অভাবে বিনা চিকিৎসায় বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে চাকরি করতেন।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু অভিযোগ করেন, টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাননি তিনি। শ্রী শ্যামল চন্দ্র নামের এক দফাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘বেতন না পাওয়ায় আমাদের স্ত্রী-সন্তানরা না খেয়ে জীবনযাপন করছে। আয়নালের মতো আমাদেরও না খেয়ে মরার মতো অবস্থা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাটবাজার ইজারার আয় থেকে শতকরা ৪০ ভাগ ও উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ভূমি হস্তান্তর আয় থেকে শতকরা ১ ভাগ টাকা উপজেলা রাজস্ব ফান্ডে জমাদানের সময় শতকরা ওই হারে টাকা ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে জমা দেয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু রাজীবপুরে হাটবাজার ইজারা ও ভূমি হস্তান্তরের আয়ের টাকা উপজেলা রাজস্ব ফান্ডে জমা করলেও ইউনিয়ন পরিষদের ভাগের প্রাপ্য টাকা দেয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আগে কী হয়েছে তা জানি না। এখন থেকে গ্রামপুলিশ ও দফাদারদের নিয়মিত বেতন-ভাতা দেয়া হবে।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

 

উপরে