আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৭:৫১

চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা রিমান্ড শেষে কারাগারে

বিডিটাইমস ডেস্ক
চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা রিমান্ড শেষে কারাগারে

হবিগঞ্জের বাহুবলে চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আবদুল আলী বাগালকে ১০ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বেলা পৌনে ২টায় বাগালকে আদালতে নেয়া হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে ও তার ছেলে জুয়েল মিয়াকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। জুয়েল মিয়া ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উক্ত মামলায় এখন র‌্যাবের হাতে আটক সাহেদ আলী রিমান্ডে রয়েছেন। আর কারাগারে রয়েছেন আব্দুল আলীসহ মোট ছয়জন।

পুলিশের দাবি, আবদুল আলী এ ঘটনার মূল হোতা। ১০ দিন রিমান্ডে নিলেও তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। তবে তার দুই ছেলে জুয়েল ও রুবেল এবং তার অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হয় বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার দুই চাচাতো ভাই আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের আত্মীয় আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০) অপহরণ হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়রি করেন জাকারিয়া শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া।

১৬ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন নিহত মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া। এরও আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বাড়ির পার্শ্ববর্তী ইছাবিল নামক স্থান থেকে ওই চার শিশুর মাটিচাপা দেয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওইদিনই পুলিশ গ্রেফতার করে আবদুল আলী বাগাল ও তার ছেলে জুয়েল মিয়াকে। এর পর থেকে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় আরও পাঁচজনকে। এখনও পর্যন্ত উক্ত মামলায় গ্রেফতার হয় মোট সাতজন।

আবদুল আলী বাগালের ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া এবং তার অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। কারাগারে রয়েছে বাগালসহ মোট ছয়জন। আর রিমান্ডে রয়েছে র‌্যাবের হাতে আটক সাহেদ আলী।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়া আসামিদের বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, পঞ্চায়েতের দ্বন্দ্বের জের ধরেই ওই চার শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। আর এর মূলে রয়েছেন আবদুল আলী বাগাল।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে