আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:০২

এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার

বিডিটাইমস ডেস্ক
এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার

মুক্তিযুদ্ধকালে মুক্তিবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি)। ৬৬ বছর বয়সে তিনি লন্ডনের একটি হাসপাতালে ওইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

১৯১৮ সালের পয়েলা সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এম এ ওসমানী। তার বাবার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান, মাতা জোবেদা খাতুন।তার পিতৃপুরুষের বাড়ি সিলেট জেলার  বালাগঞ্জ থানার বর্তমানে ওসমানীনগর থানা দয়ামীরে।  খান বাহাদুর মফিজুর রহমানের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছেলে ওসমানী।

১৯৩৯ সালে তিনি রয়াল আর্মড ফোর্সে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে কমিশনড অফিসার হিসেবে যোগ দেন । ১৯৪৭ সালের ৭ই অক্টোবর ওসমানী পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৫৬ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্নেল পদমর্যাদা লাভ করেন এবং সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারের জেনারেল স্টাফ এন্ড মিলিটারি অপারেশনের ডেপুটি ডিরেক্টরের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে অবসরগ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৭১ সালের ২৬শে ডিসেম্বর তাকে বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সের জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৭২ সালে দায়িত্ব থেকে অবসর নেন এবং মন্ত্রীসভায় যোগ দেন অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগ, জাহাজ ও বিমান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। ১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ডাক, তার, টেলিযোগাযোগ, অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগ, জাহাজ ও বিমান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন।

১৯৭৪ সালের মে মাসে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে তিনি সংসদ সদস্যপদ এবং আওয়ামী লীগের সদস্যপদ ত্যাগ করেন। সে বছর ২৯শে আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ পান, তবে ৩রা নভেম্বর জেলহত্যার ঘটনার পর তিনি সে পদ থেকেও পদত্যাগ করেন।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর এই মহান নেতা ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৬ বৎসর বয়সে লন্ডন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার ইচ্ছামত তাকে হযরত শাহজালাল (র.) এর দরগায় তার মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

 

 

উপরে