আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০৭:৩৬

প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া কর্মসূচী প্রতিহত করবে ওলামা লীগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া কর্মসূচী প্রতিহত করবে ওলামা লীগ

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মাঠের পবিত্রতা রক্ষায় ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে কোনো মূল্যে 'প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার' অনুষ্ঠান প্রতিহত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ টি দল।

জার্মানিতে নির্বাসিত প্রবাসী দুই ব্লগার শাম্মি হক ও অনন্য আজাদ ফেসবুকে 'ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশে চুমু খাব' নামে একটি ইভেন্ট চালু করে। এতে ঘোষণা দেয়া হয়, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত 'প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার কর্মসূচি' পালন করা হবে।


শনিবার (১৩ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে ওলামা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী যে কোন মূল্যে এই কর্মসূচি প্রতিহত করার ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, 'সমাজে অশ্লীলতার ব্যাপকতা আরও ছড়িয়ে দিতে দেশবিরোধী কুচক্রীরা ১৪ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এটা অত্যন্ত হতাশাজনক।'

মানববন্ধনে বক্তারা ভালোবাসা দিবসের নামে এ দেশে 'অশ্লীলতা প্রচলনের' জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সাংবাদিক শফিক রেহমান দায়ী বলেও দাবি করেন।

তারা বলেন, ১৯৮৩ সালে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন ও আত্মত্যাগের দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। এই দিনে নিহত হয়েছিলেন জয়নাল, জাফর ও মোজাম্মেল আইয়ুবসহ নাম না জানা অনেকে।

এই দিনটি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে পালন না করে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শফিক রেহমান ১৯৯৩ সালে যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে  এ দেশে 'ভ্যালেন্টাইন ডে' পালন শুরু করেন।

বক্তারা বলেন, এখন এ দিন উপলক্ষে বেহায়া সাজ-গোজ বাজারজাত করে তরুণ-তরুণীদের অশ্লীলতায় নিমজ্জিত করা হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, ভ্যালেন্টাইন ডে তথা বেহায়াপনা দিবস চালু করায় এ দিনে প্রকাশ্যে বেহায়াপনা, সম্ভ্রমহরণে মত্ত হওয়া, মদ খেয়ে নাচানাচি করা, হোটেলগুলোতে ডিজে পার্টি  করা এবং নিজেদের বিবস্ত্রভাবে উপস্থাপন করাসহ হাজারো অশ্লীলতার মাধ্যমে বাঙালির পারিবারিক-সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সভাপতি মাওলানা নূর মুহাম্মদ আহাদ আলী সরকার, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী প্রমুখ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে