আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৬:৪৮

জাল টাকা যেন লাগাম ছাড়া পাগলা ঘোড়া!

বিডিটাইমস ডেস্ক
জাল টাকা যেন লাগাম ছাড়া পাগলা ঘোড়া!

জাল টাকা মাকড়সার জালের মতই ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। এর ছড়াছড়িতে একদিকে লাভবান হচ্ছেন জাল টাকার ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্থ বা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

সারাদেশে জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে অনেকগুলো চক্র। প্রযুক্তি ও শিক্ষাগত দুর্বলতার কারণে শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষই বেশি প্রতারিত হচ্ছে এইসব চক্রের মাধ্যমে।

জাল নোট প্রতিরোধে ব্যাংকিং খাতের নেয়া কৌশল আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান তৎপরতাতেও থেমে নেই জাল নোটের কারবারী চক্র। নিত্য-নতুন কৌশল আর আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে এই চক্র চালিয়ে যাচ্ছে তাদের জালিয়াত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত ৫৪,৮৭,০০০ লাখ টাকার জাল নোট ধরা পড়ে। বছরজুড়ে মামলা হয় ১৫৭টি। আর বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে জমা পড়ছে জাল নোটের তোড়া।

জাল নোটের ছড়াছড়ির কারণে মাঝে মধ্যে ব্যাংকের এটিএম বুথেও এমন নোট পাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন গ্রাহকগণ। অনেক সময় ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টার থেকে তোলা টাকার বান্ডিলেও পাওয়া যায় জাল টাকার নোট।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলাতে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখার সিলমোহর যুক্ত ১০০০ টাকার জাল নোট। সোনালী ব্যাংকের এমন সিলমোহর যুক্ত জাল টাকার নোটে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বিশেষ করে জেলার মির্জাপুর, ঘাটাইল, মধুপুর, সখিপুর ও ভূঞাপুরের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে জাল টাকার নোট।

এবিষয়ে ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী রিপন জানান, বাজারে জাল টাকার ছড়াছড়ি। আর এসব টাকার মধ্যে ব্যাংকের সিল দেয়া থাকলে আসল না নকল তা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে। জাল টাকা হাতে পেলেও আইনগত হয়রানি এড়াতে ক্ষতির সম্মুখীন হলেও তা নষ্ট করে ফেলি।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

 

 

 

 

 

 

উপরে