আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১২:১৪

মুক্ত হলেন বাংলালিংকের অবরুদ্ধ কর্মকর্তা

বিডিটাইমস ডেস্ক
মুক্ত হলেন বাংলালিংকের অবরুদ্ধ কর্মকর্তা

বেসরকারি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের প্রধান টেকনিক্যাল কর্মকর্তা (সিটিও) পিরিহেনি এলহামি প্রায় নয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত হলেন। প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়ার চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে তাকে কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রধান টেকনিক্যাল কর্মকর্তা (সিটিও) পিরিহেনি এলহামি তার কক্ষে আটকে আছেন। রাত পৌনে ১১টায় প্রায় দুইশ’ কর্মকর্তা-কর্মচারী সিটিও এলহামিকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

পুলিশ ও র‌্যাবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বাংলালিংকের ঊর্ধবতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পর রাত ৩টার দিকে তারা অবস্থান তুলে নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

প্রস্তাবিত বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল পাল শুক্রবার সকালে বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলালিংকে ইউনিয়ন করার বিষয়টি অবহিত করে একটি প্রস্তাবিত কমিটি শ্রম মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। শরিফুল ইসলাম প্রস্তাবিত কমিটির একজন সদস্য।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্তৃপক্ষ শরিফুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে চাকরিচ্যুতির চিঠি ধরিয়ে দেয়। এর পর থেকে আমরা সিটিওকে আটকে রেখেছি। শরিফুলকে চাকরিতে বহাল না করা পর্যন্ত আমরা তাকে অফিস থেকে বের হতে দেব না।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে এলহামি বের হতে চাইলে প্রধান ফটকে আটকা পড়েন। বিক্ষোভের মুখে প্রায় আধা ঘণ্টা অবস্থানের পর পুনরায় ভেতরে ঢুকে যান তিনি।

বাংলালিংকে সিটিও পদে এই নারী কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ১৫ মার্চ থেকে রয়েছেন। এই বিষয়ে বাংলালিংক কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাত পৌনে ১১টার দিকে গুলশান থানার ওসিকে বাংলালিংক কার্যালয়ে ঢুকতে দেখা যায়। বাইরে বেশ কিছু পুলিশ সদস্যও অবস্থান নিয়েছেন।

ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর শুনে আমরা এখানে এসেছি। আমরা বাংলালিংক কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের অনুরোধ করেছি।

গুলশান থানার পরিদর্শক সালাউদ্দিন মিয়া রাত সাড়ে ১২টার দিকে বলেন, “বিক্ষোভকারীরা রাতভর অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। আমরা তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেছি।”

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে