আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০১:৪৫
বিএনপির দলীয় কাউন্সিল

পদ পেতে লড়াই করতে হবে খালেদা-তারেককেও

বিডিটাইমস ডেস্ক
পদ পেতে লড়াই করতে হবে খালেদা-তারেককেও

সরাসরি নির্বাচন হচ্ছে তারেকের পদেও। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন পদের মতো সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদেও সরাসরি নির্বাচন হবে। এ জন্য গঠনতন্ত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন অনুমোদন করেছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। এতে বুধবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হলেন তার বড় ছেলে তারেক রহমান। এবারও এই দুই পদে তারাই প্রার্থী হচ্ছেন বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ২০০৯ সালে বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিলে তারেকের জন্য সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি করা হয়। এর আগে তারেকের জন্য সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদও সৃষ্টি করা হয়। বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান একই ক্ষমতা ভোগ করবেন। এ কারণে চেয়ারপারসনের সঙ্গে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে স্থায়ী কমিটির দুজন সদস্য জানিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচনের সঙ্গে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য দলীয় গঠনতন্ত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন করার জন্য চেয়ারপারসনকে অনুরোধ করা হয়। স্থায়ী কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে দলের চেয়ারপারসন গঠনতন্ত্রের ১৯ ‘ক’ ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী অনুমোদন করেছেন।

সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় দলের চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন পরিচালনায় একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দীন সরকারকে এই কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর হারুন-আল-রশীদকে সদস্য ও মো. আমিনুল হককে সদস্যসচিব করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন যথাসময়ে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেবে।

স্থায়ী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মামলা করার অনুমতি দেওয়ার নিন্দা জানানো হয়েছে। সভায় বলা হয়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন মামলা করা একটি গভীর চক্রান্ত।

সভায় দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র আবদুল মান্নান, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ সব বন্দীর মুক্তি দাবি করা হয়। সভায় আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, এম এ সালামসহ আটক সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি করা হয়।

স্থায়ী কমিটির সভায় জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে ১৫টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে