আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৫:১০
আনসার বাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন

বিডিটাইমস ডেস্ক
সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন

দেশের সকল নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩৬তম সমাবেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “জাতির যে কোনো প্রয়োজনে বরাবরই আপনারা যে সাহস, সততা ও একাগ্রতার পরিচয় দিয়েছেন তার জন্য আমি জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে আপনাদের সকল সদস্যকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”   

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সহিংসতা মোকাবেলায় আনসারের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অপারেশন রেলরক্ষা ছাড়াও, মহাসড়কে নাশকতা ঠেকাতে আনসার বাহিনীর ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। সম্প্রতি পৌর নির্বাচনসহ দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন নির্বিঘ করতে আনসার বাহিনীর বিশাল পরিসরে উপস্থিতি বরাবরের মতই সকলের নজরে এসেছে।”

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ বাহিনীর ৬৭০ জন সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একাত্তরে তারা মুক্তিকামী জনগণের মধ্যে ৪০ হাজার অস্ত্র বিতরণ করেছেন”।

তিনি আরও বলেন, এ বাহিনীর ২০ জন বীর সদস্য বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকারের শপথের দিনে গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন। আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে তাদের স্মরণ করি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফায় আনসার বাহিনীকে মিলিশিয়া বাহিনীর মর্যাদা দেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। জাতির যেকোনো প্রয়োজনে আনসার বাহিনী সাহসকিতার সঙ্গে সাড়া দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার আনসার বাহিনীর সদস্যদের জন্য কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে পাঁচ লাখ টাকার অনুদানের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া আহত হলেও অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যাটালিয়ন আনসারদের পারিবারিক রেশনের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। মহিলা থানা প্রশিক্ষিকাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সামগ্রিক উন্নয়ন বান্ধব সরকার। দেশীয় উন্নয়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ চলছে। কর্ণফুলি নদীতে টানেল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক উন্নয়ন ও ঢাকা-চট্রগ্রাম চার লেন সড়ক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট চার লেন মহাসড়কেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে আজ মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৩২৬ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। দারিদ্র্যের হার কমেছে। বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি এখন সাড়ে ৬ ভাগ। দারিদ্রের হার কমে ২২ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে