আপডেট : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২১:৪৫

‘ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশ্যে চুমু খাব’র আয়োজক শাম্মি হককে ধর্ষণের হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশ্যে চুমু খাব’র আয়োজক শাম্মি হককে ধর্ষণের হুমকি

‘ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশ্যে চুমু খাব’ ফেসবুকে এমন ইভেন্ট খোলার কারণে অনলাইন জগতে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এমন ইভেন্টকে স্বাগত জানালেও অনেকে করেছেন এর বিরোধিতা। এমনকি ইভেন্ট চালু করা নারীকে দেয়া হচ্ছে ধর্ষণের হুমকি।

জার্মানিতে নির্বাসিত দুই বাংলাদেশি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট শাম্মী হক ও অনন্য আজাদ মিলে গত সপ্তাহে এই ফেসবুক ইভেন্টটি খোলেন।

এমন ইভেন্ট খোলার কারণ হিসেবে তাঁরা জানিয়েছেন, ‘প্রতিবছরই এই দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পুলিশ বিভিন্ন রকম হয়রানি করে। এর প্রতিবাদে সকল জুটিকে স্ব স্ব প্রেমিক প্রেমিকাকে প্রকাশ্যে চুমু খাবার আহবান জানানো হয়েছে’।

ফেসবুক এই ইভেন্ট নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রকাশ্যে চুমুর ইতিবাচক, নেতিবাচক নানা দিকের আলোচনা হচ্ছে ফেসবুকে। কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর লিখেছেন, ‘জার্মানীতে বসবাসরত দুইজন প্রবাসী বাংলাদেশি ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ্য চুমু খাওয়ার একটি ইভেন্ট পেজ খুলেছেন ফেসবুকে। প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার আয়োজনটি আবার ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। নিজেরা জার্মানিতে বসে ঢাকায় চুমু খাওয়ার ইভেন্ট কেন?’

ফেসবুক ইভেন্টের অন্যতম আয়োজক শাম্মী হক প্রকাশ্যে চুমুর বিষয়টিকে দেখছেন প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে, যেমনটা কিছুদিন আগে ভারতে করা হয়েছিল। তবে এই প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন তিনি। তাঁকে দেয়া হয়েছে ধর্ষণের হুমকি।

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত শাম্মী দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগের এক নেতা ইভেন্ট খুলেছে, টাকা তোলার জন্য। সেই টাকা দিয়ে নাকি সে জার্মানি এসে আমাকেএ ধর্ষণ করবে’।

ইতোমধ্যে ফেসবুক ইভেন্টটিতে সাড়া দিয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। সেখানে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আরো আড়াই হাজারের অধিক ফেসবুক ব্যবহারকারী।

তবে ভালোবাসা দিবসে ঢাকায় ‘প্রকাশ্যে চুমু’ ঠেকাতে পুলিশের তরফ থেকে বাড়তি কোন ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানা যায়নি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য কর্মকর্তা কামরুল আহসান এধরনের কোন নির্দেশনার কথা তার জানা নেই বলে জানান।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে