আপডেট : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৪:৫৯

১৫ লাখ শ্রমিক যাবে মালয়েশিয়া, চুক্তি আগামি মাসেই

অনলাইন ডেস্ক
১৫ লাখ শ্রমিক যাবে মালয়েশিয়া, চুক্তি আগামি মাসেই

বাংলাদেশ থেকে জি-টু-জি প্লাস (সরকার থেকে সরকার) প্রক্রিয়ায় আগামী তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া। এ জন্য মাথাপিছু খরচ হবে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা। এই টাকা নিয়োগ দাতা কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

এবার মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বেসরকারি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজকেও (বায়রা) যুক্ত করা হয়েছে।জি-টু-জি প্লাস চুক্তির ক্ষেত্রে বায়রা সহযোগিতামূলক কিছু কাজে অংশ নেবে। এ ক্ষেত্রে তারা নির্ধারিত কিছু ফি-ও নিতে পারবে। 

এ বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দুই দেশ একটি চুক্তিতে সই করবে এবং এর পর আনুষ্ঠানিকভাবে লোকবল পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে।

সোমবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভায় বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়। 

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, জনশক্তি রপ্তানিকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে তালিকাভুক্ত করেছে মালয়েশিয়া। তারা নারী ও পুরুষ কর্মী নেবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এর আগে একটি চুক্তি হয়েছিল জিটুজি। সেটা সফল হয়নি। ফলে জিটুজি প্লাস করা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় যেতে একজন শ্রমিকের সর্বসাকল্যে খরচ পড়বে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকার মতো। বিমান ভাড়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও এ-সংক্রান্ত সব খরচ বহন করবে নিয়োগকর্তা।

মালয়েশিয়ার নিয়োগ দাতা প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদাপত্র দেশটির সরকারের কাছে জমা দেবে। সেই চাহিদাপত্র মালয়েশিয়া দেবে বাংলাদেশি দূতাবাসে যাচাই-বাছাই করার জন্য। এর পর বাংলাদেশের বিএমইটি (জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) থেকে তথ্য নেবে বায়রা। বায়রার কাজ হবে ভিসা প্রসেসিং, বায়োমেট্রিক লেবার কার্ড, প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইত্যাদি।

সচিব জানান, এ প্রক্রিয়া আগের তুলনায় স্বচ্ছ হবে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে, নারী-কর্মীদের যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে। 
বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে