আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৬:৩২

চলছে বইমেলার শেষ সময়ের প্রস্তুতি

বিডিটাইমস ডেস্ক
চলছে বইমেলার শেষ সময়ের প্রস্তুতি

বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় চলছে অমর একুশে বইমেলার শেষ সময়ের প্রস্তুতি। বিগত সময়ের চেয়ে বড় পরিসরে এবারের বইমেলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন মেলার আয়োজক সংগঠন বাংলা একাডেমি।

সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে নিরাপত্তার দিকটি। গতবারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে এবার নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

গত বছর বইমেলার বাইরে লেখক অভিজিৎ রায়কে খুন এবং তারপর বিভিন্ন স্থানে লেখক ও প্রকাশকদের উপর হামলার প্রেক্ষাপটে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরও নিরাপত্তার উপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, “সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় প্রাধান্য দিয়ে এবারের বইমেলা সাজাচ্ছি আমরা। পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও থাকবে আগের চেয়ে অনেক বেশি।”

এবার পাইরেসির বিরুদ্ধে আগের তুলনায় কঠোর হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মেলা চলাকালে পাইরেসিবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে। আর কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাইরেটেড বই বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে আগামীবার বইমেলায় কোনো স্টল বরাদ্ধ দেওয়া হবে না।

 সার্বিক নিরাপত্তার বর্ণনা দিয়ে মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে যা করা যায় সর্বোচ্চটুকু আমরা করছি। ২৫০টি সিসি ক্যামেরায় পুরো মেলা ও আশপাশের এলাকা মনিটর করা হবে।

র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যারপ্ত সংখ্যক সদস্য মেলাপ্রাঙ্গণে মোতায়েন থাকবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে কেন্দ্র করে মূলত সেখান থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এবার সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি মেলায় ঢোকা ও বের হওয়ার পথের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকছে চারটি প্রবেশদ্বার। ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, চারুকলা অনুষদের উল্টোদিকের ছবির হাট গেইট, টিএসসির উল্টোপাশের গেইট ও রমনা কালী মন্দিরের গেইট। একইভাবে মেলা থেকে বেরুনোর জন্যও থাকবে চারটি ফটক। সেইসঙ্গে মেলার অভ্যন্তরেও থাকছে সুপ্রশস্ত স্থান।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে