আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৭:২১

গ্যাস ফুরোতে আর মাত্র ১৪ বছর! তারপর?

বিডিটাইমস ডেস্ক
গ্যাস ফুরোতে আর মাত্র ১৪ বছর! তারপর?

বাংলাদেশে যে পরিমান গ্যাসের মজুদ রয়েছে তা দিয়ে আর মাত্র ১৪ বছর ব্যাবহার করা সম্ভব। তারপর বিকল্প জ্বালানির ওপরই নির্ভর করতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেছেন বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস আছে তা ১৪ বছরে ফুরিয়ে যাবে। গ্যাস খাতে নেওয়া সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নতুন কোনো ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়নি। বাপেক্স কিছু চেষ্টা চালালেও তা সফল হয়নি। ফলে পুরনো ক্ষেত্র থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উপরই জোর দিতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে, তাতে ১৪ বছরের মজুত আছে। তবে চার-পাঁচ বছর পর চাপ কমতে শুরু করবে। ফলে দৈনিক গ্যাস উৎপাদনও কমবে। তখন পুরনো ক্ষেত্র দিয়ে আর স্বাভাবিক সরবরাহ ধরে রাখা যাবে না। সমুদ্র ও স্থলভাগে দ্রুত নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে তাই এখনই জোর দিতে হবে।’

জানা গেছে, দেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত ২৬টি গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাসের মজুত নিরূপণ করা হয় ২৭ দশমিক ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসই ব্যবহার হয়ে গেছে। অবশিষ্ট আছে ১৩ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে একাধিক রিগ কেনা হয়েছে। যন্ত্রাংশের দিক দিয়ে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়লেও কার্যক্রমে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বর্ধিত গ্যাসের বেশির ভাগই এসেছে পুরনো ক্ষেত্র থেকে।

জানতে চাইলে বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতিকুজ্জামান বলেন, আগামী পাঁচ বছরে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই গ্যাস অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/পিএম

উপরে