আপডেট : ১৬ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৪:৫৩

মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের মেয়াদ আরো ৮ বছর বাড়ানোর দাবি

অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের মেয়াদ আরো ৮ বছর বাড়ানোর দাবি

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছরে উন্নীত করার প্রস্তাব আগামী সোমবার (১৮ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভায় তোলার আহবান জানিয়েছে চাকরিজীবী মুক্তিযোদ্ধা ফোরাম। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইন তৈরির প্রস্তাব এবং আইন না হওয়া পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা সভায় এ দাবি জানায় মুক্তিযোদ্ধারা।

‘মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ সহ্য করা হবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  এ উক্তি নিয়ে বিশেষ এ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশন ও চাকরিজীবী মুক্তিযোদ্ধা ফোরাম।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যদি দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের কেনো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান ও অধিকার দেওয়া হবে না? 
মুক্তিযোদ্ধাদের এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সর্বোচ্চ সম্মান এবং মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রাখেন।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান গয়েশ্বর রায়সহ বিএনপি নেতারা বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে কটাক্ষ করে থাকেন। কিন্তু একবারের জন্যও স্বাধীনতাবিরোধী-পাকিস্তানপন্থীদের নিয়ে বিরূপ কোনো মন্তব্য করতে শুনিনি। এতে প্রমাণিত হয়, তারা স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি।

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনৈতিক অধিকার বাতিলের আহ্বান জানিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষকারীরা এদেশের নাগরিক থাকতে পারেন না। স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনৈতিক অধিকার থাকতে পারে না।

ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো: আবু কাওছার।

 অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, চাকরিজীবী মুক্তিযোদ্ধা ফোরামের নেতা হেদায়েতুল বারী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ মাজেদ, খাদ্য বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জামাল উদ্দিন শিকদার প্রমুখ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে