আপডেট : ১০ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৫:৫১

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশর ভুমি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বিডিটাইমস ডেস্ক
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশর ভুমি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থান ও জিরো টলারেন্স নীতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য বাংলাদেশের ভুখণ্ড কাউকে ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হবে না। কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ সহ্য করবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুৎ, পল্লি ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন মন্ত্রী মানিক দে। সে সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

বৈঠকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন- ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য কেউ বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে পারবে না। কোনো ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। আমরা এ অঞ্চলের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই’।

ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি উভয়পক্ষ বিদ্যুৎ ক্রয় ও সরবরাহের বাকি পর্যায়গুলো শিগগির সম্পন্ন করবে।

চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশের আরো বিদ্যুৎ প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে ঐতিহাসিক সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য।দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে

 বাংলাদেশ চায় ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর বন্ধ হওয়া সড়ক ও রেলপথগুলো আবার চালু হোক।

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত চাইলে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্যে এ বন্দর ব্যবহার করতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরা রাজ্যের অবদান ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে ত্রিপুরার মন্ত্রী। ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রিপুরা সফরের কথা স্মরণ করে মানিক দে বলেন, সেদিন আগরতলায় এক লাখ লোকের সমাবেশ হয়েছিলো।

তিনি বলেন, ত্রিপুরা থেকে শিগগির বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। বাংলাদেশের কুমিল্লা সীমান্তের কাছে ত্রিপুরার মনারচরে ত্রিপুরা রাজ্য সরকার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে