আপডেট : ৭ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৪:১৬

ফেলানী হত্যার ৫ বছর, বিচার পায়নি পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
ফেলানী হত্যার ৫ বছর, বিচার পায়নি পরিবার

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ফেলানী হত্যার ৫ বছর পূর্ণ হয়েছে বুধবার।২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সময় বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়।  

দিনটিকে স্মরণ করতে ফেলানীর পরিবার বৃহস্পতিবার মিলাদ মাহফিল ও কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করেছে।

এছাড়া ‘আলোর আশা পাঠশালা’ নামের একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ৭ জানুয়ারিকে ‘সীমান্ত হত্যা প্রতিরোধ দিবস’ ঘোষণার দাবিতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে পরপর দুবার ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়ে এলেও অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত। পরে ন্যায়বিচারের আশায় ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের (মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ) সহায়তায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন দাখিল করেন ফেলানীর বাবা।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারিত থাকলেও দিনের কার্যতালিকায় না থাকায় শুনানি হয়নি। ফলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এখনো ঝুলে আছে ফেলানী হত্যার বিচার।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশি  কিশোরী ফেলানী। কাঁটাতারের বেড়ায় দীর্ঘ চার ঘণ্টা লাশ ঝুলে থাকার ছবি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রচার হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নড়েচড়ে বসে ভারত-বাংলাদেশসহ বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

ফেলানী হত্যার আড়াই বছর পর ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারে বিশেষ আদালতে বিচারকাজ শুরু করে বিএসএফ। শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন বিএসএফের আদালত। আবারও সমালোচনার ঝড় উঠলে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন একই আদালত। ২০১৪ সালের ২ জুলাই পুনরায় অমিয় ঘোষের বেকসুর খালাসের রায় বহাল রাখেন আদালত।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে