আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৬:৫১

সারাদেশে ২৩ প্রার্থীর ভোট বর্জন

অনলাইন ডেস্ক
সারাদেশে ২৩ প্রার্থীর ভোট বর্জন

কেন্দ্র দখল, জাল ভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে দেশের বেশ কয়েকটি পৌরসভার আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ মোট ২৩ মেয়র পদপ্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছেন।

বুধবার সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পর দিনের প্রথমার্ধের মধ্যে তাদের ভোট বর্জনের ঘোষণা আসে।

পৌরসভায় কারচুপি ও এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভায় নির্বাচন বর্জন করেছেন বিএনপি প্রার্থী এবিএম জিলানি।

বরগুনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বরগুনা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. কামরুল আহসান মহারাজ নির্বাচন বর্জন করেছেন।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের পৌরসভার বিএনপি প্রার্থী আজমত উল্লাহ বাহাদুর, রাউজানের আবদুল্লাহ আল হাসান ও রাঙ্গুনিয়ার মো. হেলাল উদ্দিন খান ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও এজেন্টদের বের করে দেওয়া অভিযোগ করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকেরা কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দিয়ে জাল ভোট দিচ্ছে অভিযোগ তুলে জামালপুর পৌরসভায় জাতীয় পার্টির খন্দকার হাফিজুর রহমান বাদশা ও দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুন্নবী অপু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও আগে থেকে ব্যালটে সিল মেরে রাখা হচ্ছে অভিযোগ তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরসভায় ভোট শুরুর চার ঘণ্টার মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মো. মন্তাজ মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মশিউর রহমান বাবুল ও সোহেল ভূইয়ার নির্বাচন বর্জন করার খবর পাওয়া গেছে।

পৌরসভায় কারচুপি ও এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভায় নির্বাচন বর্জন করেছেন বিএনপি প্রার্থী এবিএম জিলানি।

ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা প্রকাশ্যে ভোট দিতে বাধ্যকরা, এজেন্টদের বের করে দেওয়া, কেন্দ্র দখল এবং দলীয় সমর্থকদের মারধর করার অভিযোগ এনে টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম সরকার শহীদ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারুন অর রশিদ নির্বাচন বর্জন করেছেন।

একই অভিযোগে ঢাকার ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী আব্দুস সাত্তার নির্বাচন বর্জন করেছেন।

ভোলা পৌরসভায় নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান মোমতাজি নির্বাচন বর্জন করেছেন।

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে বাড়িতে হামলা ও কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন নরসিংদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এস এম কাইয়ুম।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হালিমুল হক মিরুর লোকজন কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছে অভিযোগ তুলে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ভিপি রহিম নির্বাচন বর্জন করেছেন।

ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলে জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী সাজ্জাদুর রহমান সোহেল ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার নির্বাচন বর্জন করেছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করে নড়াইল পৌরসভায় দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।

আওয়ামী লীগ থেকে সদ্যবহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও সর্দার আলমগীর হোসেন আলম নির্বাচন বর্জনের এ ঘোষণা দেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রদখল, ভোট কারচুপি ও কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী মো. শাহিন এবং বাজিতপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শওকত আকবর নির্বাচন থেকে সরে সরে দাঁড়িয়েছেন।

প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিচ্ছে এ অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন পাবনা ঈশ্বরদী পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী মোকলেসুর রহমান বাবলু।

বিডিটাইমসডটকম/আরকে

উপরে