আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৪:৩৫

বিমানবাহিনীকে অত্যাধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বিডিটাইমস ডেস্ক
বিমানবাহিনীকে অত্যাধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ অনুযায়ী দেশের বিমান বাহিনীকে অত্যাধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার যশোরের বিমানবাহিনী একাডেমির রাষ্ট্রপতির কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, “‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ অনুযায়ী গত ৭ বছরে আমরা সশস্ত্রবাহিনীকে অত্যাধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বিমান বাহিনীতে সংযোজন করেছি এফ-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান, এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র এফএম-৯০।”

সকল ধরনের বিমান ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী রক্ষণাবেক্ষণ এবং ওভারহোলিংয়ের জন্য নির্মিত বঙ্গবন্ধু এ্যারোনটিক্যাল সেন্টারের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

“একইসাথে এমআই সিরিজ হেলিকপ্টার ওভারহোলিংয়ের লক্ষ্যে ২১৬ এমআরও ইউনিট নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে”।   

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি বিমান বাহিনীতে সংযোজন করা হয়েছে অত্যাধুনিক ককপিট সম্বলিত ইয়াক-১৩০ কমব্যাট ট্রেইনার বিমান ও উচ্চ প্রযুক্তি সমৃদ্ধ মেরিটাইম সার্চ এন্ড রেসকিউ এডব্লিউ ১৩৯ হেলিকপ্টার।

সমুদ্রসীমার এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এর আকাশসীমা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য কক্সবাজারে স্থাপিত হয়েছে ওয়াইএলসি-৬ এয়ার ডিফেন্স রাডার।
বিমানবাহিনীকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার পরপরই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি (বঙ্গবন্ধু) একটি দক্ষ ও চৌকস বিমান বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিমান বাহিনীর জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।”

প্রধানমন্ত্রী নবীন ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমার প্রত্যাশা, বিমান বাহিনী একাডেমি থেকে যে মৌলিক প্রশিক্ষণ আপনারা গ্রহণ করেছেন তার যথাযথ অনুশীলন করবেন।”

এসময় প্রত্যেকটি চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করে সততা, একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে নবীন ক্যাডেটদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ ডটকম/আরকে/একে

উপরে