আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০১৭ ১৬:০২

‘ফিলৌরি’; ভূত হয়ে তাড়া করছেন আনুশকা

ফিলৌরি মুভি রিভিউ
বিনোদন ডেস্ক
‘ফিলৌরি’; ভূত হয়ে তাড়া করছেন আনুশকা

ভূতের সিনেমা হলেও কোনও ভয়ের কিছু নেই। হলিউডের হরর ফিল্মগুলির মতো ঘন কালো অন্ধকারের মধ্যে ধূসর সাদা পোশাক আর রক্তচোষা মুখ নিয়ে আপনার দিকে তেড়ে আসবে না কেউ। এটা আপনাকে নিশ্চিত করে বলা যায়। ছোট্টবেলায় বহু রূপকথার কাহিনিগুলোর সঙ্গে এই সিনেমার গল্প রিলেট করা যায়।

অভিনেতা    :        অনুষ্কা শর্মা, সুরজ শর্মা, দিলজিত্‍ দোশানজি, মেহরিন পিরজাদা

পরিচালক    :        আনসাই লাল

ছবির ধরন   :        Drama

সময়সীমা    :        2 hrs. 18 Min.

গল্পটা কী?
বিয়ের আগে পারিবারিক রীতি-রেওয়াজ মেনে একটি গাছের সঙ্গে বিয়ে হয় করণের (সূরয শর্মা)। কিন্তু সে কী করে জানবে, ওই গাছের মগডালে ১০০ বছরেরও বেশি বয়সী, শশী নামে এক ভূত(অনুষ্কা শর্মা) থাকে। যথারীতি শশীর মনে হয়, করণের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সে অন্য কারোর প্রেমিকা (যা অসম্পূর্ণ)। সে মনের দুঃখ মনে চেপেই করণের সঙ্গে থাকতে শুরু করে। কারোর রূপধারণ করে নয়, নিজের মূর্তিতেই গোটা বাড়ি ঘুড়ে বেড়ায় হাওয়ায় ভর করে। করণ ছাড়া আর কেউ শশীকে দেখতে পায় না। করণের সব দেখাশোনার ভার নিজের কাঁধে তুলে নেয় সে। কিন্তু ১০০ বছরের পুরোনো একটি ভূত বর্তমান কোন ব্যবস্থার সঙ্গেই মিল খুঁজে পায় না। শশীর মতে, করণের সঙ্গে বিয়ে হলেও, তাঁর মন পড়ে থাকে পুরোনো প্রেমিকের জন্য। গল্পের শেষে দেখা যায়, শশীর এত বছরের ইচ্ছা, বেদনা, রাগ, অভিমানকে জয় করে ফেলে।

সমালোচনা-
ভূত হিসেবে অনুষ্কা শর্মার অভিনয় তারিফযোগ্য। শশীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছেন নবাগত সূরয শর্মাও। সিনেমার শেষে দিলজিতের এন্ট্রি গল্পের মোড় নিয়ে আসে। তাঁর সুরেলা কন্ঠের গানগুলি মন্দ নয়। ছবিতে যেহেতু দুটি সময়কাল দেখানো হয়েছে, সেহেতু এখানে পোশাক, হেয়ার স্টাইল, ডায়ালগ, গানের সুর সবকিছুর মধ্যেই সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

কেন দেখবেন?
ট্রেলারেই ছবির সবটুকু বলে দেওয়া হয়েছে। এককথায়, ট্রেলারের মধ্যে সিনেমার সারাংশ বোঝা যায়। ভূতের তকমা থাকলেও, ছবির মধ্যে কোনও ভয়ংকর ভৌতিক দৃশ্য নেই। খুব সরল, সাদাসিদে একটি ভূতের প্রেমকাহিনির উল্লেখ রয়েছে এখানে। প্রচুর মজার দৃশ্য, শশীর নানারকম কর্মকাণ্ড আপনার ভালো লাগবে। গল্পের মধ্যে কোনও খুঁত ধরতে না যাওয়াই ভালো। অফিসের চাপ সামলিয়ে বন্ধু বা সঙ্গীর সঙ্গে দেখতে যান। মাথায় যতরকমের চাপ, চিন্তা, ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে।

উপরে