আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০১৬ ১৬:৩০

'JOY'

মুভি রিভিও
'JOY'

কখনো কি মনে হয়েছে, আপনার সবকিছু শেষ, আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না, আপনার ভবিষ্যত অন্ধকার? আপনি কূল-কিনারা করতে পারছেন না আপনার সবকিছুর, মনে হচ্ছে অথৈ সাগরে ডুবে গেছেন?

১৯৮৯ সালে Joy Mangano’র ও সেটাই মনে হয়েছিল। ডিভোর্সড স্বামীর সাথেই একসাথে থাকতে হচ্ছে তিন বাচ্চা, নানী আর মাকে নিয়ে। এর মাঝে থাকার জায়গাহীন বাবা হুটহাট করে হঠাৎ চলে আসছে। চাকরি চলে গেছে, হাতে টাকা নেই, তারপরও সে চিন্তা করে বড় কিছু করার। নানী তার উপর আশা-ভরসায় করে ও অজ্ঞাত বিশ্বাস করে, তাকে দিয়েই একদিন অনেক বড় কিছু সম্ভব হবে। কিছু না থাকা সত্ত্বেও আছে একটা বুদ্ধিসম্পন্ন মাথা। ছোটোবেলা থেকেই বিভিন্ন দরকারি জিনিস বানিয়ে আসছিল জয়। একদিন সহজে ঘর পরিষ্কারের কথা চিন্তা করতে গিয়ে বানিয়ে ফেলেন ঘর মোছার ‘মপ’। এরপর সে চিন্তা করে কি করে সে এই জিনিসটা বাজারজাত করে নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে। বাকি গল্পটা এই ব্যবসা দাঁড় করানোর পিছনের গল্পটা।

নিজের চেয়ে প্রায় দশ বছরের বেশি চরিত্রে অভিনয় করা বা তিন বাচ্চার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা জেনিফার লরেন্স এর কাছে পুরো ডাল-ভাত লেগেছে। অসাধারণভাবে পুরো সময়টাতে স্ক্রিন প্রেজেন্স দিয়ে গেছেন। আর তার বিভিন্ন অবস্থার অংশগুলো দেখে মনে হচ্ছিল তিনি অভিনয় করছে্ন না। তিনি-ই জয় মানগানো। অসাধারণভাবে অভিনয় করার ফলাফল গোল্ডেন গ্লোবে সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার জয়, আর অস্কারে আবারো একটা নমিনেশন।

অন্যদের নিয়ে আসলে খুব কমই বলার আছে। পুরোটা সময় আসলে ‘জয়’ আর জেনিফার লরেন্সেরই গল্প।

স্বার্থপর বাবার চরিত্রে দারুণভাবে মানিয়ে গেছেন রবার্ট ডি নিরো। এক্সটেন্ডেড ক্যামেও বলা চলে ব্রাডলি কুপারের চরিত্রটাকে, যেখানে তিনি অভিনয় করেছেন আমেরিকান ব্রডকাস্টিং চ্যানেল QVC এর একজন কাল্পনিক এক্সিকিউটিভ চরিত্রে।

পুরো মুভিটা ন্যারেট করা হয় জয় এর নানী মিমি’র ভাষ্যে।

ডেভিড ও’রাসেল মানেই এখন এওয়ার্ড। আবারো একটা অস্কার নমিনেশন এনে দিলেন জেনিফার লরেন্সকে। কিন্তু তার অন্য মুভির তুলনা এটা একটু কমই ভালো হয়েছে। তারপরও যা হয়েছে, সেটাও কম কিছু না।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এএ 

উপরে