আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৬ ২১:১৪

ক্যায়া কুল হ্যায় হাম থ্রি

বিডিটাইমস ডেস্ক
ক্যায়া কুল হ্যায় হাম থ্রি

বলিউডের  ইতিহাসে প্রথম সেক্স কমিডি সিনেমা ‘ক্যায়া কুল হ্যায় হাম থ্রি’।  নতুন বছরে বলিউড চলচ্চিত্রে পর্ন কমেডির প্রবর্তন ঘটেছে এই সিনেমাটি দিয়ে। প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য বলিউডে চলচ্চিত্র নির্মাণের হার গত কয়েক বছর ধরেই বেশ বাড়ছে। ইরটিক থ্রিলার ধাঁচের সিনেমাগুলো দর্শকপ্রিয়তাও পাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২২ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। পাকিস্তানে যৌনতার দায়ে ছবিটি নিষিদ্ধ হলেও ভারতে ভালোই ব্যবসা করছে দেশের প্রথম সেক্স কমিডির এই ছবি।

সিক্যুয়েলে এই ছবির গল্প এগিয়েছে দুই বন্ধু কানাইয়া (তুষার কাপুর) এবং রকিকে (আফতাব) ঘিরে। দুই বন্ধু যখন মিকির (খুশনা অভিষেক) সাথে যুক্ত হয় ঘটনা তখন প্রাণ পায়।

ছবির শুরু রকির যৌন উত্তেজক কর্মকাণ্ড দিয়ে। রকি একজন প্লেবয়, কিন্তু কানাইয়া সাদাসিদে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করা একজন মানুষ। কিন্তু ছবিটির প্রতিটি ঘটনা আর সংলাপে যৌনতার ছড়াছড়ি। কিছু কিছু জায়গায় তা সহনীয়তার মাত্রা ছাড়িয়েছে।

রকির যৌনকাণ্ডের ভুলে কানাইয়া ঘরছাড়া হলে তাদের দুই বন্ধুকে থাইল্যান্ডে কাজের অফার দেয় তাদেরই এক বন্ধু মিকি। তারা যখন থাইল্যান্ডে পৌঁছে জানতে পারে তাদের জন্য ঠিক করা কাজ আসলে পর্নো ছবিতে অভিনয় করা। কানাইয়া প্রথমে রাজি না থাকলেও পরে রকি আর মিকির প্রভাবে পড়ে রাজি হয়ে যায়। ওখানে কানাইয়ার ভালো লাগে সালুকে। বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হয় তাকে। কিন্তু সালু কানাইয়াকে জানিয়ে দেয় সে বিয়েতে রাজি কিন্তু তার বাবা কানাইয়ার পরিবারের সাথে দেখা করতে চায়, মিশতে চায়।

কিন্তু থাইল্যান্ডে নিজের পরিবার কোথায় পাবে কানাইয়া! তাই তার সাহায্যে এগিয়ে আসে তার সহকর্মী পর্নো ছবির অভিনয়শিল্পীরা। তারাই তার ভাই-বোন আর পরিবার বনে যায়। কিন্তু বাবা হিসেবে আবির্ভূত হয় রকি এবং মিকি। এদিকে তার নিজের বাবা এসেও যোগ দেয় তার ওই পরিবারে। বিষয়টি নিয়ে গড়িয়ে যায় ছবির বাকী কাহিনি।

পর্নো কমেডি ছবি হিসেবে এর সংলাপ ছিল যথার্থ। কিন্তু কাহিনি বিন্যাস খুবই দুর্বল। চরিত্রগুলোর পারস্পরিক যোগসূত্র মোটেও বাস্তবভিত্তিক নয়। ছবিটিতে সংলাপ আর দৃশ্যায়নে যৌনতাকে জড়াতে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়নি পরিচালক।

মোটের উপর দুই ঘণ্টা ৫ মিনিটের এই ছবিটি মাঝারি মানের একটি ছবি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে