আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ ২১:৫৬

‘নদী উপাখ্যান’র সিনেচিত্রে লালচর

বিনোদন ডেস্ক
‘নদী উপাখ্যান’র সিনেচিত্রে লালচর

মাছ ধরে সংসার চালাতে চালাতে বিরক্ত এক তরুণ। নদী তীরবর্তী জনপদ। নদী জীবন, নদীই জীবিকা। কৃষিকাজ করারও উপায় নেই। তরুণের খুব ইচ্ছে হয় হালচাষ করবে, মানে মাছ ধরা থেকে সে মুক্তির উপায় খোঁজে, কিন্তু পায় না। এমন সাদামাটা দিন যখন যাচ্ছে, আকস্মিকভাবে সেই নদীটিতে জেগে ওঠে নতুন চর।এর সঙ্গে সঙ্গে এই তরুণতো বটেই, পুরো এলাকার মানুষ স্বপ্নবিলাসী হয়ে ওঠে। তরুণটি ভাবে যাক, এখন থেকে আর মাছ ধরতে হবেনা তাকে।

এতোদিনে সে এও জানতে পারে যে, ওই চরে তাদের নিজেদের জমি আছে। এবার আর ঠেকায় কে! তরুণটি ভাবে, এবার কৃষিকাজ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যাবে। নিজের ভিটেয় নতুন ঘর হবে, আসবে বউ আর কতো কী। কিন্তু বিপত্তি অন্যখানে। স্বপ্নে ঘটে ব্যাঘাত। ক্ষমতাশালীরা দখলের চেষ্টায় মাতে, ‘এই চর আমার’ বলে। সহজ-সরল সেই ছেলে এবার আর চুপ থাকে না। ‘জাইল্যার পুত’ মিলন প্রতিবাদে নামে। গড়ে তোলে প্রতিরোধ।

এভাবেই এগিয়ে যায় “লালচর” ছবির গল্প। নন্দিত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের “নদী উপাখ্যান” উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন নাদের চৌধুরী।প্রধান চরিত্রে আভিনয় করেছেন আনিসুল হক মিলন।ছবিটিতে মিলনের বিপরীতে আছেন নবাগতা মোহনা মীম।

আজ সারাদেশে মুক্তি পেয়েছে লালচর।সরকারি অনুদানের এই ছবিটির ব্যাপারে ইতিমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকমহলে। ট্রেলার ও গানের প্রমোশনেই সেটা টের পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সঙ্গতকারণেই মিলনের প্রত্যাশা একটু বেশিই।

‘লাল চর’-এর শুটিং হয় মুন্সীগঞ্জের চর এলাকায়। সময়টা এ বছরের ফেব্রুয়ারি, তখনো শীত ছিলো। টানা কয়েক সপ্তাহ সেখানে ছিলেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। একমাত্র মিলন ঢাকা থেকে গিয়ে শুটিংয়ে যোগ দিতেন।

এদিকে গতকাল ছবির কলাকুশলীদের উপস্থিতে যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমায় ‘লালচর’  ছবিটির এক বর্ণাঢ্য মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে।কলাকুশলীরা সকলে আশা করছে দর্শকরা ছবিটি আগ্রহের সাথে গ্রহন করবে।

 

 

উপরে