আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৬ ১৭:৪৬

বিশ্বাস এবং জুসে প্রস্রাব

ভিন্ন খবর
বিশ্বাস এবং জুসে প্রস্রাব

বাসায় খাবার তৈরির কাজটা কাজের লোকের হাতে থাকে। আর হোটেলে খরিদ্দারের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজটা করে বয়রা। আর যাই হোক এই দুই পেশার মানুষের সঙ্গে কখনো বাজে ব্যবহার করতে হয় না। কেননা খাবার তৈরি আর পরিবেশনের পাশাপাশি খাবার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ভারটা থাকে তাদের হাতে। তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে খাবারের অবস্থা যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তা শুধু ভুক্তভোগীই জানে। তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে কুয়েতে।

বাড়িতে ছোটো ছেলেমেয়ে রেখে বাবা মা দুইজনই চাকরি করে। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি বাড়িতে থাকা সন্তানদের দেখাশোনার ভারও ছিল মেয়েটির হাতে। বাড়ির কর্তা বা কর্তী হয়তো কোনো সময় তার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছিল। তার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বাবা মা বাইরে চলে গেলে সন্তানদের সঙ্গে সে বাজে ব্যবহার করতে শুরু করে। কিন্তু বাবা মা বাড়িতে ফিরলে সন্তানদের কাজের লোকটি তাদের মাথায় করে রাখতো। তাইতো কাজের মেয়েটির বিরুদ্ধে করা সন্তানদের অভিযোগ আমলে নিতে চাননি তারা। অন্যদিকে সুযোগ বুঝে সন্তানদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিল মেয়েটি। এদিকে সন্তানদের অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়িতে গোপন ক্যামেরার ব্যবস্থা করলেন অভিভাবকরা। আর তাতে যে চিত্র ধরা পড়লো তাতে বাবা মায়ের শরীর ঘৃণায় রিরি করার কথা। ভিডিওতে দেখা যায় একজনে বাড়ির কর্তার জন্য কমলার জুস তৈরি করছে। কিছু সময় পর জুসটি রেখে অন্যদিকে গেলে স্কার্ফ এবং সবুজ রংয়ের পোশাক পরা কাজের মেয়েটি একটি কাপ নিয়ে সেটি তার কাপড়ের নিচে রাখলো। তারপর জুসের কাছে এসে কাপড়ের নিচ থেকে কাপটি বের করে কিছু তরল পদার্থ জুসের মধ্যে ঢেলে দিল। তারপর সে তার স্বাভাবিক কাজ করতে লাগলো যেনো কিছুই হয়নি। হ্যাঁ আপনি ঠিকই ধরেছেন, জুসের মধ্যে নিজের প্রস্রাব ঢেলে  দিয়েছিল সে। এমন ঘটনা আরো একটি ঘটেছে কুয়েতে। সম্ভবত এমনটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে কুয়েতে। কেননা ধরা পড়ার পর একটি মেয়েটি যা বলেছে তা এমন ‘তার দেশের লোক বিশ্বাস করে বাড়ির মালিককে যদি প্রস্রাব খাওয়ানো যায় তাহলে সেই পরিবারকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং বেতন বাড়িয়ে নেওয়া যায়।’ সেই বিশ্বাস থেকে সে এমনটি করেছে।

 

উপরে