আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০১৬ ১৪:৫৬

যৌন শিক্ষার ক্লাসে মারিয়ার সোজাসাপ্টা জবাবে কাঁপছে বিশ্ব!

বিডিটাইমস ডেস্ক
যৌন শিক্ষার ক্লাসে মারিয়ার সোজাসাপ্টা জবাবে কাঁপছে বিশ্ব!

ঘটনাটি কানাডার মন্ট্রিয়লের। যৌন শিক্ষার ক্লাসে অযাচিত প্রশ্নোত্তরের অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা হয়েছিলো কিশোরী মারিয়াকে।

এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, উত্তরগুলো মোটেই ঠিকঠাক নয়। যা কিছু শেখাবার চেষ্টা হয়েছিল, তার কিছুই আদতে শিখে উঠতে পারেননি ওই কিশোরী।

তবে, কিশোরী মারিয়ার ভাইরাল হয়ে যাওয়া হোমওয়ার্কের পাতা কিন্তু বলছে অন্য কথা! সেখানে প্রমাণ মিলছে যে, এই মেয়েটির যৌন শিক্ষায় কোনও রকম খুঁত নেই।

তারপরও কেন স্কুল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল মন্ট্রিয়লের মারিয়া ফ্রিডম্যানকে?

সে কথা জানার আগে জেনে নিন, যৌন শিক্ষার হোমওয়ার্কে ঠিক কী লিখেছিলেন মারিয়া।

সম্প্রতি, মারিয়ার দাদা জর্ডন ফ্রিডম্যান আপলোড করেছেন দু'বছর আগে করা বোনের সেই হোমওয়ার্ক। দেখা যাচ্ছে, বিষয়টা ছিল কন্ডোম পরতে অনিচ্ছুক ব্যক্তিকে কী যুক্তি দেখানো যায়!

যেমন, এক জায়গায় প্রশ্নে লেখা ছিল, ‘কন্ডোম খুব বিচ্ছিরি জিনিস, আমি মোটেই পছন্দ করি না।’ তার বিরোধী যুক্তি হিসেবে মারিয়া লিখেছিলেন, ‘বাচ্চারাও তাই মনে করে।’

আবার, আর একটা প্রশ্নে লেখা ছিল ‘আমার কাছে কন্ডোম নেই’! তার বিরোধী যুক্তি হিসেবে মারিয়া লিখেছে, ‘আমার কাছে যোনিও নেই’!

কারণটা অনুমান করতে অসুবিধে নেই, স্কুল ঠিক কী কারণে এমন চাঁছাছোলা জবাবকে বাতিল করে মারিয়াকে শাস্তি দিয়েছিল। এখানে জড়িয়ে আছে বস্তুত নৈতিকতার প্রশ্ন। যে কথাটা বলছেন মারিয়ার ক্লাসটিচারও!

এক শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি মারিয়ার বক্তব্যকে সমর্থন করি। কিন্তু, বলার ধরনটা নয়। শাস্তিটা ও পেয়েছে সেই জন্যই।’

তবে, যে যাই বলুক, মারিয়ার দাদা জর্ডন কিন্তু রীতিমতো গর্বিত বোনকে নিয়ে। হোমওয়ার্কের পাতাটা আপলোড করার সময় স্পষ্ট করে তিনি লিখেছেনও সে কথা।

আর দুনিয়া? সেখান থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন মারিয়া?

পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে কিন্তু প্রশংসাই ভেসে আসছে একনাগাড়ে। এক মহিলা মজা করে লিখে পাঠিয়েছেন, মারিয়া ঠিকই বলছে। বাচ্চাদের নিয়ে ওঁর এই সাংসারিক জ্ঞান তারিফ করার মতো!

অন্যদিকে, অনেকেরই মন্তব্য, আমার কাছে যোনি নেই- শুধু এই কথাটা সাহস করে লেখার জন্যই নোবেল পেতে পারেন মারিয়া!

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে