আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০১৬ ১৮:০০

‘পেনিস’ ট্রি

অনলাইন ডেস্ক
‘পেনিস’ ট্রি

শিরোনাম দেখে আতকে ওঠার অবস্থা হতে পারে। এত গাছের নাম শুনলাম কিন্তু এ গাছের নাম তো কখনো শুনিনি। এবার কেমন গাছ? এ গাছে কি হয়? আম গাছে যেমন আম হয়, জাম গাছে জাম তেমনি পেনিস গাছেও কি পেনিস হয়- এমন চিন্তা আসাটাও অমূলক নয়। এ গাছ দেখতে কেমন, সত্যিকারভাবে এমন গাছ আছে কিনা সে প্রশ্নও মনে আসাটা স্বাভাবিক। এবার জেনে নেওয়া যাক কি সেই গাছ।

ওরচেস্টারশায়ারে গাছের পরিচর্যা করাটাই ক্রিস বিশপের কাজ। এ বাগান বিভিন্ন রকম গাছে সমৃদ্ধ। কাজ করতে করতে ক্রিস বিশপের হঠাৎ করে এক অদ্ভূত সাধ জেগে উঠলো। বাগানের ঠিক সামনের দিকে ছিল ২৫ বছরের একটা সাইপ্রেস গাছ। এটির কোনো ডালপালা নাই। ছোটো খাটো ডালপালা হলে তা ছেটে দেওয়া হয়। ছাটাছাটিতে অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে শেষ পর্যন্ত এটি একটি গোল বিদ্যুতের খুঁটির আকার নেয়। বিদ্যুতের খুঁটি যেমন নিচের দিকে তুলনায় ওপরের দিকে একটু চিকন থাকে এ গাছটির অবস্থাও তেমন ছিল। ওরচেস্টারশায়ারের বাগানে ১৮ ফুট লম্বা এই গাছটিকে ঘিরে অদ্ভুত এক চিন্তা খেলে গেলো বিশপের মনে। গাছটিকে আকষর্ণীয় করে তুলতে পেনিসের (পুরুষ লিঙ্গ) আকার দেওয়ার ইচ্ছা মনে আসলো বিশপের। যেই ইচ্ছা সেই কাজ। ছাটাছাটি করে তিনি গাছটিকে পুরুষের লিঙ্গের আকার দিলেন। উপরের দিকে ছেটেছুটে একটু খাদের মতো করে দিলেন। বিশপের হাতের নিপুন ছোয়ায় এটি সত্যিকারভাবে পেনিসের আকার পেলো। বিশপ তার সতীর্থরা এটিকে কৌতুক হিসেবে নিলেন।

দশনার্থীরা এসে গাছটির দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে চলে যেতেন। কেউ তেমন কিছু মনে করতেন না, কেউ কোনো মন্তব্যও করতো না। সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল। কিন্তু বিশপের এক প্রতিবেশির কাছে ব্যাপারটি মোটেও কৌতুকের মনে হয়নি। বরং এটিকে বিব্রতকর মনে করেছেন। গাছটি নিয়ে তিনি আপত্তি জানিয়েছেন। কিন্তু বিশপ এটি মোটেও ভালোভাবে নেননি। বরং প্রতিবেশির নোংরা মানসিকতার কথা তুলে ধরেছেন। বিশপ বলেছেন, ‘আমি যখন বাগানের বাইরে থেকেছি তখন কারো কাছ থেকে কোনো মন্তব্য শুনিনি। দর্শনার্থীরা এটা দেখেছে এবং চলে গেছে। কিন্তু যিনি অভিযোগ করছেন আমার মনে হয় এটি তার নোংরা মনের পরিচয়।’

 

উপরে