আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০১৬ ১৯:১৩

সৌদি আরবের ডাকাত থাইল্যান্ডে এসে বনে গেল ‘সাধু’!

বিডিটাইমস ডেস্ক
সৌদি আরবের ডাকাত থাইল্যান্ডে এসে বনে গেল ‘সাধু’!

একটি সুদৃশ্য নীল হীরে এবং এক সামান্য বাগানের মালি!

মালিটি চাকরি করত সৌদি আরবের এক চোখ ধাঁধানো রাজপ্রাসাদে৷ হঠাৎই সেই বহুমূল্য হীরে এবং আরও কিছু বহুমূল্য রত্ন নিয়ে একদিন পালায় সে৷ চুরি করা রত্নগুলোর দাম কম করে হলেও দু'শো কোটি মার্কিন ডলার৷

তবে চুরি করে পার পায়নি সে। সৌদি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মালিটি৷ এরপর তার পাঁচ বছরের জেলও হয়৷ কিন্তু কোনও ভাবে জেল থেকে পালাতে সক্ষম হয় সে৷ পুলিশের নাগাল থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আসে সে৷ ওই দেশ থেকেই তার জীবন অন্য খাতে বইতে শুরু করে৷

ক্রিয়াংক্রাই তেচামং নামের ওই মালিটি সব রত্ন বেচে দিলেও সঙ্গে ছিল একটি নীল হীরে৷ হিরেটি সে এক সৌদি রাজপুত্রের প্রাসাদ থেকে চুরি করে৷ এই প্রাসাদে সে নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কাজ করত৷ তার ভাষায় হীরেটির কারণেই তার জীবনে নেমে আসে দুর্ভাগ্যের বাণ৷ কৃতকর্মের থেকে প্রায়শ্চিত্ত করতে থাইল্যান্ডের একটি বৌদ্ধ মিশনারিতে যোগ দিয়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করে সে৷

কিন্তু এখানেই শেষ নয় তার দুর্ভাগ্যের কাহিনী৷ তাকে নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ড৷ সৌদি আরবের অভিযোগ, অভিযুক্ত মালিকে ধরতে কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি থাই সরকার৷ উল্টো, তিন কূটনীতিক এবং রিয়াধের এক ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ওঠে থাই পুলিশের বিরুদ্ধে।

২০১৪ সাল থেকে দারুণ তিক্ততায় পরিনত হয় সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক৷ সেই থেকে কোন কূটনেতিককে থাইল্যান্ডে পাঠায়নি সৌদি আরব৷

তাই হীরের দোষে দস্যু রত্নাকর থেকে বাল্মিকীতে বদলালেও তাতে জট কাটেনি দু'দেশের।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে