আপডেট : ১২ মার্চ, ২০১৬ ১৭:১৬

ছোট্ট শিশুর অবাক করা কান্ড!

বিডিটাইমস ডেস্ক
ছোট্ট শিশুর অবাক করা কান্ড!

বিশ্বে অবাক হওয়ার মতো কত ঘটনাই না ঘটছে। তার মধ্যে এমন কিছু ঘটনা থাকে যা জানলে বিষ্ময়ে চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা হয়। তেমন এক ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনভিলে। এই শহরের ছোট্ট শিশু আলিয়া রায়ানের ঘটনা শুনলে অবাক না হয়ে পারা যায় না।

স্বপ্নের এই দেশটিতে যে কোনো সমস্যায় ৯১১ নম্বরে ফোন দিলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সাহায্যে এগিয়ে আসে। আলিয়া রায়ানও তার সমস্যায় পড়ে ফোন দিয়েছিল পুলিশকে। স্বাভাবিক নিয়ম মেনে পুলিশও রায়ানের বাড়িতে হাজির।

তবে শুরুতেই যে এমন সমস্যায় পড়তে হবে তা ভাবতেই পারেননি তারা। কলিং বেল শুনে রায়ানের দাদা দরজা খুলে পুলিশ দেখে তো অবাক। বাড়িতে তিনি আর দুই বছরের রায়ান ছাড়া তো আর কেউ নেই। তিনি তো পুলিশকে ফোন দেননি, তাহলে পুলিশ কেনো। এমন অবস্থায় পুলিশ জানতে পারে হেল্প ফোনে ছোট্ট শিশুর কণ্ঠ শোনা গিয়েছিল। পুলিশ তখন নজর দেয় রায়ানের দিকে।

পুলিশ তখন দেখতে পায় রায়ান নিচে বসে একটা প্যান্ট পড়ার চেষ্টা করছে। প্যান্টের একটা অংশের ভেতর পা ঢোকাতে পারলেও আর একটা অংশ উল্টে থাকায় পা ঢোকাতে পারছে না। এই সমস্যায় পড়ে সে ৯১১ তে ফোন দিয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মার্থা লোহনেস তখন রায়ানকে প্যান্ট পড়তে সাহায্য করলেন এবং কোলে করে আদর করে দিলেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পুলিশ এই পরিবারের বিপক্ষে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এবার জেনে নেওয়া যাক রায়ান কিভাবে এই কাজটি করেছিল। দায়িত্বের কারণে রায়ানের বাবা-মা দুইজনকে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। সে কারণেই শিশুকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন জরুরি অবস্থায় কিভাবে পুলিশের সাহায্য নিতে হবে। রায়ান অবশ্য তখনো শিখে পারেনি প্রকৃত জরুরি অবস্থা আর ফ্যাশনের জরুরি অবস্থার মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়? তবে ঠিকমতো প্যান্ট পড়াটা তার জন্য কঠিন সমস্যা মনে হওয়ায় মায়ের শেখানো পথেই জরুরি সাহায্য চেয়েছিল সে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে