আপডেট : ৮ মার্চ, ২০১৬ ১৮:১৯

এক বছরে দেড় ইঞ্চি উচ্চতা বেড়েছে কেটলির

বিডিটাইমস ডেস্ক
এক বছরে দেড় ইঞ্চি উচ্চতা বেড়েছে কেটলির

মহাশূন্যে প্রায় এক বছর (৩৪০ দিন) কাটিয়ে গত বুধবার পৃথিবীতে ফিরেছেন মার্কিন নভোচারী স্কট কেলি। এরই মধ্যে তাঁর শরীরে ঘটে গেছে কিছু পরিবর্তন। তাঁর উচ্চতা বেড়েছে দেড় ইঞ্চির মতো। রক্তপ্রবাহের ধরনেও ঘটেছিল পরিবর্তন, যদিও এখন তা স্বাভাবিক।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ সেন্টারের (আইএসএস) ভিন্ন পরিবেশে একটানা এত বেশি সময় কাটানোর পর কমান্ডার কেলির শরীরে আর কী কী দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন ঘটেছে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) বিজ্ঞানীরা এখন তা খতিয়ে দেখছেন।

স্কট কেলির সঙ্গে তাঁর যমজ ভাই মার্ক কেলির শারীরিক গঠনের প্রায় হুবহু মিল। তাঁদের উচ্চতা একই ছিল। কিন্তু সর্বশেষ অভিযান থেকে ফেরার পর কেলির উচ্চতা মার্কের চেয়ে দেড় ইঞ্চি বেড়েছে। মহাশূন্যে মাধ্যাকর্ষণ অত্যন্ত কম হওয়ায় তাঁর বিভিন্ন হাড় ও মাংসপেশি শক্তি হারায়। এতে ওই পরিবেশে স্কট কেলির মেরুদণ্ডে টান পড়ে এবং তা কিছুটা লম্বা হয়ে যায় বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন।

এখন তাঁরা মার্কের সঙ্গে তুলনা করে স্কট কেলির শরীরের অন্যান্য পরিবর্তন চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। তবে তাঁরা বলেছেন, পৃথিবীর স্বাভাবিক পরিবেশে স্কট কেলি ধীরে ধীরে আবার আগের উচ্চতা ফিরে পাবেন।

মঙ্গল গ্রহ বা কোনো গ্রহাণুতে অভিযানের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেওয়ার আগে নাসা মানবদেহের ওপর এ ধরনের দীর্ঘ (এক বছরের বেশি) যাত্রার ক্ষতিকর প্রভাবগুলো বিশদভাবে জানতে চায়। এমনিতে আইএসএসে চার থেকে ছয় মাস থাকলেই নভোচারীদের শরীরে অনেক পরিবর্তন ঘটে যায়। মাধ্যাকর্ষণের পরিবর্তনের ফলে মানুষের শরীরে সরাসরি কিছু প্রভাব পড়ে। পৃথিবীর বাইরের আবহমণ্ডলে তেজস্ক্রিয়তার কিছু প্রভাব রয়েছে। সেগুলো মোকাবিলার উপায় বের না করে মঙ্গল অভিযানের মতো পদক্ষেপ নেওয়া ঠিক হবে না বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে