আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:০৩

আপনার শিশু বুদ্ধিমান হয়ে বেড়ে উঠছে কি?

অনলাইন ডেস্ক
আপনার শিশু বুদ্ধিমান হয়ে বেড়ে উঠছে কি?

একটা পরিবারে সন্তান যখন ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, তাকে নিয়ে অভিভাবকেরা বিভিন্ন স্বপ্ন বুনতে শুরু করে। তারা চায় সন্তান বুদ্ধিমান হোক, অন্য সবার থেকে আলাদা হোক। কিন্তু জন্মসূত্রেই শিশু অন্য সবার থেকে একটু বেশিই বুদ্ধিমান হতে পারে। সেটা তার আচার-আচরণ দেখেই আঁচ করা যায়। শিশুর এই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখলেই তার বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়

শিশু কখন কথা বলতে শেখে

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের গবেষণা মতে, একবছর বয়সের মাথায় শিশুরা দুই-একটা কথা বলতে শেখে। দেড় বছর হলে কথা আরও আরও স্পষ্ট হতে থাকে। তবে এই অবস্থার বাইরে যদি শিশু আগেই কথা বলতে শিখে যায় তাহলে ধরে নেবেন সে অন্য শিশুদের তুলনায় বুদ্ধিমান। তার শেখার ক্ষমতা ভালো, তার প্রতি মনোযোগী হন।

শিশুর বসতে শেখা

শিশুদের বসতে শেখা, হামাগুড়ি দেওয়া, দাঁড়াতে শেখা— প্রত্যেকটিরই একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। আপনার সন্তান যদি সেই সময়ে যাওয়ার আগেই অর্থাৎ অন্য শিশুদের তুলনায় বেশি এগিয়ে থাকে তাহলে সেগুলো বুদ্ধিমান হয়ে ওঠার অন্যতম লক্ষণ।

সবার সঙ্গে মানিয়ে চলা

যেই শিশুরা অপেক্ষাকৃত বুদ্ধিমান, তাদের ছোট থেকেই যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষমতা অনেক বেশি হয়। তারা অচেনা অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গেও খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারে। এককথায় তারা যথেষ্ট মিশুক হয়, অচেনাদের ভয় পায় না।

শিশু যদি একগুঁয়ে হয়

আপনার শিশু যদি খুব একগুঁয়ে হয়, তাকে নিয়ে বাবা-মায়েরা যথেষ্ট চিন্তিত থাকে। আরেকটা কথা তাদের মনে রাখা দরকার যে, শিশুর একটু-আধটু জেদ থাকা ইতিবাচক। স্বয়ং চিকিৎসকরাই এমনটা বলেন। তারা বলেন, একটু একগুঁয়েমি না থাকলে শিশুর নিজস্ব বিচার ক্ষমতা ও দৃঢ়তা তৈরি হয় না।

শিশুর মনঃসংযোগ

গবেষণা মতে, যেকোনো খেলনা বা পছন্দসই বিষয়ে সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুর একটানা মনঃসংযোগ থাকার সময়সীমা ১৫-২০ মিনিট। কিন্তু আপনার সন্তান যদি কোনো একটি খেলনা বা বইপুস্তক নিয়ে একমনে অনেকক্ষণ ডুবে থাকতে পারে তাহলে অবশ্যই সে সবার থেকে আলাদা, বুদ্ধিমান, চিন্তাভাবনা ভিন্ন।

প্রশ্ন করার অভ্যাস

একটু বড় হলেই শিশুরা কৌতুহলোদ্দীপক হতে থাকে। তখন তারা বিভিন্ন প্রশ্ন করে। অনেকে আবার এই অভ্যাসে বিরক্তবোধ করে। কিন্তু সব বিষয়েই কী-কেন-কীভাবে— এসব প্রশ্ন করা শিশুরা একটু বেশি আগ্রহী এবং বুদ্ধিমান হতে পারে। তাই এই অভ্যাসে বিরক্ত না হয়ে তাকে উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

উপরে