আপডেট : ২৬ মে, ২০১৮ ১০:২৩

খাই খাই ভাব কমাতে চাইলে…

অনলাইন ডেস্ক
খাই খাই ভাব কমাতে চাইলে…

সারাক্ষণ খাই খাই ভাব। ক্ষুধা লেগেই আছে। এমন স্বভাবের কারণে প্রায়শই জাঙ্কফুড খাওয়া হয়। কখন কী খাওয়া হচ্ছে দিন শেষে এর হিসেব মেলেনা। যে কারণে ওজন কমানোও সুদূর পরাহত। কিন্তু স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে ওজন তো স্বাভাবিক রাখতেই হবে। তাই সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ও সহনীয় ওজন রাখতে, সর্বোপরি খাই খাই অভ্যাস দূর করতে মানতে হবে কিছু বিষয়:

১) প্রবল ক্ষুধার মুখে হাই ক্যালোরি ভাজা বা প্রসেস্ড ফুডের আসক্তি বেড়ে যায়। তাই ক্ষুধা মাত্রা ছাড়ানোর আগেই স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নিতে হবে। আবার দিনে কখন কী খাবার খাওয়া হবে এর একটি রুটিন থাকতে হবে।

২) এমন খাবার গ্রহণের অভ্যাস করতে হবে যাতে যথেষ্ট পরিমাণ প্রেটিন থাকে। গবেষকদের মতে, খাবারে যদি ২৫ শতাংশ বা এর চেয়ে পরিমাণ প্রেটিন থাকে তাহলে খাবার খাওয়ার প্রবণতা ৬০ শতাংশ কমে যায়। ভাজাভুজি খাওয়ার প্রবণতাও কমে যায়।

৩) চুয়িংগাম মুখে রাখলে মিষ্টি ও নোনতা খাবারের অসক্তি কিছুটা কমে। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে চুয়িংগাম যেন সুগার ফ্রি হয়।

৪) শরীরে পানির ঘাটতির কারণেও খাবার বেশি গ্রহণের প্রবণতা দেখা যায়। তাই শরীরে পানির ঘাটতি কমাতে দিনে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে।

৫) ঘুম কম হলেও ভাজাভুজি ও মিষ্টির প্রতি আসক্তি বাড়ে। এই অসক্তি কমাতে ভালো কাজ করে ক্যাফেইন৷ কাজেই চিনি কালো চা বা কফি খান। অবশ্য এটি স্থায়ী সমাধান নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।

৬) রাগ, ক্ষোভসহ মানসিক চাপের কারণেও ভাজাভুজি ও হাইক্যালরির খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এজন্য এমন অবস্থায় গান, ব্যায়াম, আড্ডাসহ কোনো পছন্দের বিষয় করুন। গবেষকদের মতে, মানসিক চাপে পড়ার পর ৩ থেকে ৫ মিনিট সাধারণত সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় এটি পার করতে পারলেই আর সমস্যা হয় না।

৭) চারদিকে পছন্দের খাবার ছড়ানো থাকলে নিজেকে সামলানো কঠিন। তাই হাতেই কাছে হাইক্যালোরি খাবারের জমিয়ে রাখবেন না।

আরও কিছু বিষয়ে খেয়ার রাখতে হবে। যেমন কোল্ড ড্রিংকস খেতেই হলে  জিরো ক্যালরিরটি বেছে নিন। আবার যারা প্যাস্ট্রি বা কেকসহ মিষ্টি খুব পছন্দের হলে এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন।

উপরে