আপডেট : ১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ১০:২৪

বেশি দিন বাঁচতে চাইলে কুকুর পোষেন!

অনলাইন ডেস্ক
বেশি দিন বাঁচতে চাইলে কুকুর পোষেন!

যাঁরা কুকুর পোষেন, হৃদ্‌রোগসহ অন্য কারণে তাঁদের মৃত্যুর ঝুঁকি কম। সুইডেনের ৩৪ লাখ লোকের ওপর চালানো এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। খবর বিবিসির। গবেষক দল সুইডেনের জাতীয়ভাবে নিবন্ধিত ৪০ থেকে ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং তাঁদের সঙ্গে নিবন্ধিত কুকুর পোষা ব্যক্তিদের তূলনা করে।

গবেষকদের দলটি দেখন, কুকুর পোষা বিশেষ করে শিকারি কুকুর পোষা ব্যক্তিদের হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম। গবেষকেরা বলছেন, যাঁরা কুকুর পোষেন, সম্ভবত তাঁরা শারিরীকভাবে সক্রিয় হন। কুকুর পুষলে তা শারীরিকভাবে সক্রিয় হতে সাহায্য করে। তাঁরা বলেছেন, সম্ভবত কুকুর পোষা ব্যক্তিদের সামাজিক কল্যাণ ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পায় এবং এর মাধ্যমে তাঁরা হৃদ্‌রোগ থেকে মুক্ত থাকেন। অথবা ব্যাকটেরিয়ার মাইক্রোবিয়োম পরিবর্তন হওয়ার কারণে কুকুর পোষা ব্যক্তিরা হৃদ্‌রোগ থেকে মুক্ত থাকেন।

মাইক্রোবিয়োম হলো ক্ষুদ্র অণুজীবের সমষ্টি যা অন্ত্রে বাস করে। ধারণা করা হয়ে থাকে, কুকুর তার মালিকের মাইক্রোবিয়োমকে প্রভাবিত করে। কারণ, পোষা ব্যক্তিরা কুকুরের শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসেন। এবং অন্য কোনোভাবে মানুষ ওই ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে না। গবেষকেরা বলছেন, কুকুর পোষা ব্যক্তিদের যাঁরা একা বাস করেন, কুকুর তাঁদের ওপর বিশেষভাবে প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব ফেলে।

গবেষক দলের প্রধান উপসালা ইউনিভার্সিটির ময়েনা মুবাঙা বলেন, ‘একটি কুকুর পোষা ব্যক্তিদের মৃত্যুর ঝুঁকি না পোষা ব্যক্তিদের তুলনায় ৩৩ শতাংশ কম। এবং হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১১ শতাংশ কম।’ এর আগে দেখা গিয়েছিল, যাঁরা একা বাস করেন, তাঁদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি অনেক বেশি। ময়েনা মুবাঙা বলেন, ‘একক পরিবারে হয়তো একটি কুকুর পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠে।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে