আপডেট : ৭ মার্চ, ২০১৬ ২১:১৪

ভারতের রাষ্ট্রপতির ট্রেন ‘প্রেসিডেন্সিয়াল সেলুন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের রাষ্ট্রপতির ট্রেন ‘প্রেসিডেন্সিয়াল সেলুন’

দেখতে দামী হোটেলের রুমের মতো। ভিতরে রয়েছে ডাইনিং রুম, ভিজিটিং রুম, লাউঞ্জ, কনফারেন্স রুম এবং অশ্যই রাষ্ট্রপতির বেডরুম। এবং সবটাই বেশ বিলাসবহুল। এটা আসলে ভারতের রাষ্ট্রপতির ব্যবহারের জন্য ট্রেন। নাম প্রেসিডেন্সিয়াল সেলুন। এটা ঠিক চেনা ট্রেনের মতো নয়। এটার মাত্র দু’টো বগি। তার নম্বর ৯০০০ এবং ৯০০১। ১৯৫৬ সালে এই বগি দু’টি তৈরি করা হয়েছিল। যা রাখা থাকে নয়াদিল্লি স্টেশনে।

রাষ্ট্রপতি একটি দেশের সাংবিধানিক প্রধান। তাঁর সম্মানই আলাদা। তাঁর আছে আলাদা ট্রেন। কিন্তু ভারতের খুব কম রাষ্ট্রপতি এই ট্রেনে চড়েছেন। ছয় ও সাতের দশকে রাষ্ট্রপতিরা অনেকই এই ট্রেন ব্যবহার করেছেন। সাধারণত নিজেদের টার্ম শেষ হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতিরা এই ট্রেনে চড়ে নিজের শহরে বা গ্রামে গিয়েছেন। যেমনটা করেছিলেন নীলম সঞ্জিব রেড্ডি ১৯৭৭ সালে। 

এরপরে ট্রেনটি আর ব্যবহার হয়নি। ২৬ বছর পরে ২০০৩ সালের ৩০ মে এই ট্রেনে চড়েন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম। সেই সময় ট্রেনটিকে নতুন করে সাজানো হয়। প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে একবার এই ট্রেনটিকে নতুন করে সাজানোর কথা হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। 

ব্রিটিশ ভারতে ভাইসরয়ের চড়ার জন্যই প্রথম এই ধরনের ট্রেনের কথা ভাবা হয়। তখন নাম ছিল ‘ভাইস রেগাল কোচ’। সেই রাজকীয় কোচ রাজধানী কলকাতায় মানে হাওড়া স্টেশনেই ছিল। পরে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরিত হলে এই ট্রেনটিও চলে যায় ১৯২৭ সালে। স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম এই ট্রেনে চড়েন ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১৯৫০ সালে তিনি নয়াদিল্লি থেকে কুরুক্ষেত্র গিয়েছিলেন। 

উপরে