আপডেট : ১ মার্চ, ২০১৬ ২০:৫৮

স্তনবৃন্ত নিয়ে ১০টি অজানা তথ্য

বিডিটাইমস ডেস্ক
স্তনবৃন্ত নিয়ে ১০টি অজানা তথ্য

শরীর নিয়ে যারা 'অবসেসড', তাঁরাও বোধহয় স্তনবৃন্ত নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না৷ যেমন অনেকেই হয়তো জানেন না, মানবদেহে দুটি নয়, তিনটি স্তনবৃন্তও থাকাটাও খুব একটা অস্বাভাবিক নয়৷ এই প্রতিবেদনে স্তনবৃন্ত নিয়ে ১০টি এমন তথ্য দেওয়া হল যা হয়তো অনেকেরই অজানা-

১. আকৃতিতে পৃথক: একটি নিপলসের তুলনায় অপরটি দেখতে অন্যরকম হতেই পারে৷শরীরের দু'টি স্তন একইরকম দেখতে হয় না৷ একটি বড় হয়, অপরটি তুলনামূলক ছোট৷স্তনবৃন্তের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে৷

২. নিপলগ্যাজম: শব্দটা অচেনা ঠেকছে? জেনে রাখুন, একজন মহিলার দেহে অর্গাজম শুরুই করা যায় তাঁর স্তনবৃন্ত ছুঁয়ে৷ কিন্তু তার জন্য পার্টনারকেও ততটাই পোক্ত হতে হয়৷ জানতে হয় একজন নারীর দেহ কিভাবে ছুঁলে মিলনের চরম সুখ পাওয়া যায়৷

৩. স্তনবৃন্ত ভিতরে ঢুকে থাকে: এটাও তেমন কোনও বড় ইস্যু নয়৷ অনেক মহিলারই বৃন্ত স্তনের ভিতরের দিকে ঢুকে থাকে, কিন্তু কামোত্তেজনা জাগলে ঠিকই বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে৷ মিলন শেষে ফের 'ইনভার্টেড' হয়ে যায়৷

৪. ডার্ক নিপলস: মেয়েদের সাধারণ স্তনবৃন্তের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কালো রঙের স্তনবৃন্ত দেখে ছেলেদের বেশি উত্তেজনা জাগে৷ যাকে বলে 'টার্ন অন' হয় ছেলেরা৷ স্তনবৃন্ত কালো করতে অনেক মেয়ে তো নিপলস 'ডাই'ও করায়৷

৫. স্তনবৃন্তের রঙে পরিবর্তন অশনি সঙ্কেত: ব্রেস্ট ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় লক্ষণ হল স্তনবৃন্তের রঙে পরিবর্তন৷ এরকমটা হলে অবশ্যই একজন অঙ্কোলজিস্টকে কনসাল্ট করুন৷

৬. ব্রেস্ট ট্রান্সপ্লান্ট বৃন্তের ক্ষতি করে: স্তনের আকৃতি কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর জন্য মহিলারা যে ব্রেস্ট ট্রান্সপ্লান্ট করিয়ে থাকেন, বৃন্তের জন্য সেটা যথেষ্ট ক্ষতিকর৷ কারণ, এতে নিপলসের 'সেনসেশন' কমে যায়৷

৭. স্তনবৃন্তে পিয়ার্সিং একদম নয়: আপনার সেক্স লাইফের জন্য স্তনবৃন্তে পিয়ার্সিং মোটেও সুখকর অভিজ্ঞতা নয়! কানে বা নাকে দুল পড়ার জন্য পিয়ার্সিং করলে সেই ক্ষত দ্রুত মেরামত হয়৷ কিন্তু স্তনবৃন্তে করলে তা সারতে ৮-৯ মাস সময় লাগে৷ ততদিন নিপলসে হাত-জিভ কিছুই ঠেকানো যাবে না৷ অতএব আপনার ও আপনার পার্টনারের সেক্স লাইফকে বলতে হবে গুডবাই৷

৮. দুটি স্তনবৃন্তের দূরত্ব কত: বিজ্ঞান বলছে, দুটি স্তনবৃন্তের মধ্যেকার দূরত্ব আপনার দুটি কানের লতির মধ্যেকার দূরত্বের সমান| সবসময়!

৯. সেক্স অর্গ্যানের আগে বৃন্তের জন্ম: জানেন কি, প্রকৃতি যখন মানবদেহ তৈরি করে, তখন নারী-পুরুষ বিভেদের আগে বৃন্ত তৈরি করেন৷ তাই ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই বৃন্ত থাকে৷

১০. ইতিহাস: ১৪০০ সাল নাগাদ ফ্রান্সে স্তনবৃন্ত ফ্যাশন স্টেটমেন্ট হিসাবে বিবেচিত হত৷ফ্রান্সের রাজার রক্ষিতারা এমন গাউন পরতেন যাতে তাঁদের স্তনবৃন্ত দেখা যায়৷

সবশেষে একটা মজাদার তথ্য, একদা আয়ারল্যান্ডে রাজার স্তনবৃন্তকে পবিত্র বলে মানা হত৷তাই রাজার প্রতি আনুগত্য দেখাতে তাঁর স্তনবৃন্ত মুখে নিতেন প্রজারা৷

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম

উপরে