আপডেট : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:১৩

OMG! ৪ লক্ষ বছর আগেও কচ্ছপ পুড়িয়ে খেতো মানুষ!

বিডিটাইমস ডেস্ক
OMG! ৪ লক্ষ বছর আগেও কচ্ছপ পুড়িয়ে খেতো মানুষ!

বলা হয়ে থাকে যে, বর্তমান কাল থেকে প্রায় দেড় লক্ষ বছর পূর্বে মানুষ সর্বপ্রথম আগুনের ব্যাবহার করতে শেখে। প্রকৃতির এই অনবদ্য শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারার মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতে আরও ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে।

কিন্তু ইসরায়েলের এক প্রত্নতত্ত্ববিদ নিকুচি করলেন সে তথ্যের! তার গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ সর্বপ্রথম আগুন ব্যবহারের সময়কাল দেড় লক্ষ বছর আগে তো নয়ই, এমনকি দুই কিংবা তিনও নয় মানুষ সেই ক্ষমতা অর্জন করেছিলো অন্তত ৪ লক্ষ বছর আগে!

৪ লক্ষ বছর আগেও মানুষের রান্নার বাহার আর বহর- দুটোই ছিল দেখার মতো! ঠিক সেই কথাটাই তথ্য-প্রমাণের সঙ্গে পেশ করলেন তেল আভিভের প্রত্নতত্ত্ববিদ রান বরকাই।

বরকাইয়ের উদ্যোগে যে প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযান চলেছে, তার থেকেই জানা গেছে এই তথ্য। ইসরায়েলের কাশেম গুহায় অভিযান চালানোর সময় তারা দেখেন, সেখানে ছড়িয়ে রয়েছে কচ্ছপের খোলা এবং অন্য পশুর হাড়গোড়! তারপর সেগুলোকে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পরে জানা যায়, রান্নার আগে তাদের মাংস খোলা থেকে আলাদা করে নিত কাশেম গুহায় বসবাসকারী আদিম মানুষেরা। তারপর, ঝলসে খেত সেগুলোকে!

মজার ব্যাপার, এই কচ্ছপের রোস্টও হত নানা রকমের। কোনওটা তারা খেত স্টার্টার হিসেবে। কোনওটা বা খেত খাওয়া হয়ে যাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি হিসেবে!

তবে, শুধুই কচ্ছপ নয়। এছাড়াও নিয়মিত ভাবে ঘোড়ার মাংস, হরিণের মাংস আর ষাঁড়ের মাংসও খেত তারা। গুহায় আদিম মানুষের যে দাঁত পাওয়া গিয়েছে, সেগুলো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

বরকাইয়ের দাবি, এই প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযান নিঃসন্দেহে আদিম মানুষের জীবনধারা সম্পর্কে নতুন আলোকপাত করবে। কেননা, এত দিন পর্যন্ত কাশেম গুহার অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতনই ছিলেন না কেউ। রাস্তা বানানোর সময়ে ২০০০ সালে এই গুহার খোঁজ মেলে। তারপর এই প্রথম এত বড় প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযান চলল কাশেম গুহায়।

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে