আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:৩৭

জনপ্রিয় হচ্ছে ই-সিগারেট! জেনে নিন এ সম্পর্কে

বিডিটাইমস ডেস্ক
জনপ্রিয় হচ্ছে ই-সিগারেট! জেনে নিন এ সম্পর্কে

ধুমপানের ক্ষতির দিক জানেনা এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম কিন্তু তবুও ধুমপায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ধূমপায়ীদের সংখ্যা প্রায় ৭৬ শতাংশ। তবে বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছে এর ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনার এবং এই ক্ষেত্রে ই-সিগারেট বা ইলেক্ট্রিক সিগারেট একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। আসুন জেনে নেই ই-সিগারেট সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর-

প্রশ্ন: ই-সিগারেট কিভাবে কাজ করে?

ই-সিগারেট প্রথমত ব্যাটারী, ট্যাংক ও কুণ্ডলী(coil) দিয়ে তৈরি। ট্যাংক এর মাঝে লিকুইড দিয়ে কুন্ডলী ও ব্যাটারী সংযুক্ত করা হয় তাতে কুণ্ডলীটি গরম হয়ে লিকুইডগুলোকে বাষ্পে পরিণত করে যা ধোয়া হিসেবে ধূমপায়ীরা পান করে।

প্রশ্ন: ই-সিগারেট ব্যবহারে কোন ক্ষতিকর দিক আছে কি?

ব্যবহারকারীরা সাধারনত কোন ক্ষতিতে ভুগেনা কিন্তু এতে বাবহারিত লিকুইড গুলোর ক্যামিকেল কারো শরীরে সহ্য না হলে কিছুটা ক্ষতি তো হতেই পারে।

প্রশ্ন: এর লিকুইড গুলোয় আসলে কি ব্যাবহার করা হয়?

এতে প্রধানত উদ্ভিজ্জ গ্লিসারিন, প্রোপাইলেন গ্লাইকল দুটি বিভিন্ন মাত্রায় মেশানো হয়। এছাড়াও বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন স্বাদের লিকুইড পাওয়া যায়। প্রতিটি লিকুইড এর মাঝে কম বেশী পরিমাণে নিকোটিন মেশানো থাকে যার ফলে গ্রাহকরা তাদের পছন্দ মত লিকুইড কিনতে পারে।

প্রশ্ন: এই লিকুইড এর উপর কি যথেষ্ট পরিমাণে গবেষণা হয়েছে? হয়ে থাকলে এটি একজন মানুষের কতটুকু ক্ষতি করতে পারে?

কয়েক বছর ধরে এই ই-সিগারেটের উপর যথেষ্ট পরিমাণে গবেষনা হয়েছে এবং অবশেষে ইংল্যান্ডের গণস্বাস্থ্য বিভাগ এটি নিশ্চিত করেছে যে এটি তামাকের থেকে অনেক নিরাপদ।

ই-সিগারেটের লিকুইডে ব্যবহৃত নিকটিন ছাড়া অন্যকোন উপাদান সাধারনত ক্ষতি করেনা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে এর মাঝে ব্যবহৃত উপাদান কারো এলার্জির কারণ এবং সে ক্ষেত্রে এটিও হতে পারে তার জন্য ক্ষতির কারণ!

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসপি

উপরে