আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:০৭

এক নিয়োগ পরীক্ষা থেকেই আয় ৪০ কোটিরও বেশি!

অনলাইন ডেস্ক
এক নিয়োগ পরীক্ষা থেকেই আয় ৪০ কোটিরও বেশি!

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার ফি না নিতে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার সবক্ষেত্রেই এমন ব্যবস্থার প্রয়োগ চান চাকরিপ্রত্যাশীরা।

চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবি, ব্যাংকের মতো সব ধরনের সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জন্য ফি নেয়া বন্ধ করা হোক। আমাদের সমাজে বেকারত্ব একটি অভিশাপ হিসেবে বিবেচ্য। আর এই বেকারত্বকে পুঁজি করেই শত কোটি টাকা আয় করছে সরকার। বিভিন্ন সংস্থা বা বিভাগ থেকে নিয়োগ পরীক্ষার নামে নেয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের ফি।

শুধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলা এই আবেদন কার্যক্রমের পরীক্ষাবাবদ প্রতি আবেদনকারীকে গুণতে হয় ১৬৮ টাকা। এই হিসাবে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থীর আবেদনে ৪০ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৬ টাকা জমা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোষাগারে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল বলেন, এবার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ডসংখ্যাক আবেদন পড়েছে। এ বাবদ যে অর্থ জমা হয়েছে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফান্ডে রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রচুর ব্যয় হয়। এই কাজে সারাদেশে বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়োজিত রাখতে হয়। সব মিলে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। তবে এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন আসায় সরকার কিছু রাজস্ব পেলেও পেতে পারে।

জানা গেছে, সারা দেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে প্রতি আসনে ২০০ জনের বেশি চাকরি প্রত্যাশী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। চলতি বছরের ১৯ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা আয়োজনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ হতে পারে।

 বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে