আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০১৮ ১৫:৩৫

ইঞ্জিনে ত্রুটি থাকায় ৬৫ ফ্লাইট বাতিল

অনলাইন ডেস্ক
ইঞ্জিনে ত্রুটি থাকায় ৬৫ ফ্লাইট বাতিল

নিষেধাজ্ঞার কারণে একসঙ্গে ৬৫টি ফ্লাইট বাতিল করল ভারতের ইন্ডিগো এবং গোএয়ার। এর মধ্যে রয়েছে ইন্ডিগোর ৪৭টি এবং গোএয়ার-এর ১৮টি ফ্লাইট। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে ওই দুই বিমান সংস্থা। এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।

ইঞ্জিনে ত্রুটি থাকায় সোমবারই ১১টি এয়ারবাস এ৩২০-নিও বিমানের ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছিল, বিমান চলাচলে সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে পিডব্লিউ ১১০০ ইঞ্জিনযুক্ত ১১টি এ৩২০ বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হল। যাত্রী সুরক্ষায় ঝুঁকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিল ডিজিসিএ। ওই ১১টি বিমানেই মার্কিন সংস্থার প্র্যাট অ্যান্ট হুইটনির ইঞ্জিন রয়েছে।

এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিগো এবং গোএয়ার। কারণ ওই ১১টির মধ্যে ইন্ডিগোর ৮টি এবং গোএয়ার-এর ৩টি বিমান রয়েছে।

কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, হায়দ্রবাদ, বেঙ্গালুরু পাটনা, শ্রীনগর, ভুবনেশ্বর, অমৃতসর, শ্রীনগর, গুয়াহাটিসহ একাধিক শহর থেকে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ইন্ডিগোর বিমান ছাড়ার কথা ছিল। পাশাপাশি দেশের ৮টি শহর থেকে সারা দিনে গোএয়ার-এর ২৩০টি ফ্লাইট যাতায়াত করে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার ফলে আপাতত ওই বিমানগুলির ফ্লাইট বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ওই দুই সংস্থার কর্তৃপক্ষ।

স্বাভাবিকভাবেই এতে বিপত্তিতে পড়েছেন অংসখ্য যাত্রী। পরিস্থিতি সামলাতে ওই যাত্রীদের অন্য বিমানে করে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন ইন্ডিগোর মুখপাত্র।

ইন্ডিগোর তরফে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই যাত্রীদের অন্য বিমানে করে গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটটি বাতিলও করতে পারবেন তারা।

গতকালই লক্ষ্মৌগামী ইন্ডিগোর একটি বিমানের ইঞ্জিন মাঝআকাশে বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়েই তা আহমেদাবাদে অবতরণ করেন বিমানচালক। এরপরেই নড়েচড়ে বসে ডিজিসিএ। সে দিনই ওই ধরনের ত্রুটিযুক্ত ইঞ্জিন রয়েছে এমন বিমানে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তারা। তবে ঠিক কত দিন পর্যন্ত ডিজিসিএ-র এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে তা নিয়ে এখনও অন্ধকারে ওই দুই বিমান সংস্থা।

গোএয়ার-এর মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এখনও জানি না, কত দিন পর্যন্ত ওই বিমান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে।’

যে সংস্থার ইঞ্জিনকে ঘিরে এত কাণ্ড সেই প্র্যাট অ্যান্ট হুইটনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের ত্রুটি দূর করার জন্য ইতিমধ্যেই উদ্যোগী হয়েছেন তারা। নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন ডিজিসিএ কর্তৃপক্ষও।

ওই নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে প্র্যাট অ্যান্ট হুইটনিসহ ওই বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে মিলে গোটা পরিস্থিতির পর্যালোচনা করা হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রুমা

উপরে