আপডেট : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৭:৩৭

গাড়ি থেকে খেলোয়াড়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
গাড়ি থেকে খেলোয়াড়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার

গাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মিলল তাঁর দেহ। মাথার ডানদিকে গুলির আঘাতেই প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। উঠতি হকি প্রতিভা ধরা হচ্ছিল তাঁকে। সেই রিজওয়ান খানই এবার অকালে চলে গেলেন। গাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মিলল তাঁর দেহ। মাথার ডানদিকে গুলির আঘাতে প্রাণ হারান তিনি। পুরো ঘটনায় সোরগোল পড়ে গিয়েছে নয়াদিল্লিতে।

পশ্চিম দিল্লির সুভাষ নগরের বাসিন্দা ছিলেন রিজওয়ান খান। অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় হকি টুর্নামেন্টে দিল্লির হয়ে প্রতিনিধিত্বও করেছেন তিনি। ২২ বছরের রিজওয়ান, জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাঁদের পরিবারের এক সদস্য প্রথমে গাড়ির মধ্যে মৃত রিজওয়ানকে দেখতে পান।

কিন্তু কে তাঁকে হত্যা করল? তদন্তে নেমে পুলিশ যা জানিয়েছে, তার সারমর্ম এই— সোমবার দুপুরে দু-লাখ টাকা নিয়ে বেরিয়েছিলেন রিজওয়ান। মোটরবাইক কেনার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। তবে অনেক রাত পর্যন্ত বাড়ি ফেরেননি রিজওয়ান। মোবাইলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন পরিবারের লোকজন। রিজওয়ানের বাবা শরিফ খান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘ছেলের অন্য একটি বিকল্প নম্বরে ফোন করলে এক মহিলা ফোন রিসিভ করেন। রিজওয়ানের বন্ধুর এক এক তুতো বোন বলে নিজের পরিচয় দেন তিনি। সেই তরুণীই নাকি জানান, সোমবার দুপুরে তাঁদের বাড়িতে মোবাইল ফোন এবং দু-লাখ টাকা রেখে নিজের গাড়ি নিয়ে চলে যায় রিজ।’’

প্রথমে সেই তরুণী নিজেদের বাড়ির ঠিকানা জানাতে চাননি। তবে তরুণীর বাবার কাছ থেকে মেলে সরোজিনী নগরের ঠিকানা। সেখানে গিয়েই বাড়ির সামনে পার্ক করা গাড়ির মধ্য থেকে উদ্ধার হয় রিজওয়ানের রক্তাক্ত মৃতদেহ। তাঁর হাত থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি দেশি পিস্তলও। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রোমিল বানিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে রিজওয়ান আত্মহত্যা করেছেন। যদিও রিজওয়ানের পরিবার তা মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোট না পাওয়া যাওয়ায় খুনের দাবি উড়িয়েও দিতে পারছে না দিল্লি পুলিশ। মৃতদেহ থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানী আপাতত সরগরম রিজওয়ানের মৃত্যু নিয়েই।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে