আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০১৬ ১৫:০৩

চীনাদের বন্ধু মানেনা জাপানিরা, আপনি?

বিডিটাইমস ডেস্ক
চীনাদের বন্ধু মানেনা জাপানিরা, আপনি?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জাপান ছিল শিকারীর ভূমিকায় আর চীন ‘শিকার’। এবপর নদীর জল গড়িয়েছে অনেক। চীনারা ব্যাবসা-বানিজ্য ও সমরশক্তির মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ইতিহাসের আস্তাকূঁড় থেকে উঠে এসেছে জাপানিরাও। যদি বলি এ দুইয়ে ‘বন্ধুত্ব’; তবে বলতেই হয়, আপাতত তা মনে হচ্ছে না।

কিছুতেই চীনের প্রতি বিশ্বাস বাড়াতে পারছে না প্রতিবেশী দেশ জাপান। সরকারি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৮৩ দশমিক ২ শতাংশ জাপানি চীনকে কখনই বন্ধু হিসেবে মনে করে না। সম্প্রতি এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জাপান সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে।

সেখানে বলা রয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে করা ২০১৪ সালের সমীক্ষায় চীনের প্রতি ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ জাপানি বিশ্বাস হারিয়েছিল। কিন্তু নতুন সমীক্ষায় তা একটু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ২ শতাংশ।

কেবল মাত্র ১৪ দশমিক ৮ ভাগ জাপানি চীনকে বন্ধু ভাবে। এইসব জাপানির মধ্য কিছু আদি চীনা নাগরিকও রয়েছে। তবে আশার কথা হল, সরকারের এই সমীক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি জাপানিদের আস্থা কিছুটা বেড়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়াকে ৩৩ শতাংশ জাপানি তাদের বন্ধু ভাবতে শুরু করেছে, যা আগের সমীক্ষার চেয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে  জাপানের যৌনদাসী চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে আস্থার পারদ কিছুটা চড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

অপরদিকে,  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চীনের একরোখা মনোভাবের কারণে দেশটির সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি ঘটে। চীন মাঝেমধ্যেই জাপান সাগরে যুদ্ধ জাহাজের টহল বসিয়ে উত্তেজনা তৈরি করে। যদিও চীনের অনেক পণ্য জাপানের বাজারে আসতে শুরু করেছে, কিন্তু এরপরও চীনের প্রতি বিশ্বাসের ভিত্তি মজবুত করতে পারছে না নাগরিকরা। আর তাছাড়া প্রত্যেকটা চীনাই নাকি একেকটা জিলাপির প্যাঁচ! তাদের বিশ্বাস করে ঠকার অভিজ্ঞতা কম বেশি সবারই আছে। তাই নয় কি?

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে