আপডেট : ১৫ মার্চ, ২০১৬ ১৩:১৫

ভারত কি পুরুষ-বিদ্বেষী রাষ্ট্র? একডজন অভিযোগ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
ভারত কি পুরুষ-বিদ্বেষী রাষ্ট্র? একডজন অভিযোগ

মেয়েরা কথায় কথায় বলে থাকে, ‘ইস্ যত সুযোগ, স্বাধীনতা সব ছেলেদের।’ কিন্তু তলিয়ে ভাবলে দেখা যাবে বাস্তবটা মোটেও তেমন নয়। বরং মনে হবে এই সমাজ আসলে পুরুষবিদ্বেষী।

ভারতীয় পুরষরা প্রতিদিন যা হাড়ে হাড়ে টের পান—

১। বয়স হয়েছে! ক্লান্ত! তবু খালি থাকা বাস বা মেট্রো রেলের লেডিস সিটে বসলে বাঁকা চোখে দেখবেন মহিলা সহযাত্রীরা।

২। কোনও নির্জন রাস্তায় আপনার অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৫ মিটারের মধ্যে কোনও মেয়ে থাকলে আপনাকে সম্ভাব্য ধর্ষণকারী বলে সন্দেহ করা হবে।

৩। কোনও মহিলার গায়ে দুর্ঘটনাজনিত কারণে ধাক্কা লেগে গেলেও সর্বসমক্ষে চড় খেতে হবে। জনতার সহানুভূতি পাওয়া যাবে না।

৪। কোনও মহিলা শ্লীলতাহানীর অভিযোগ তুললে কিংবা কু-ইঙ্গিতের অভিযোগ তুললেই পুরুষ কাঠগড়ায়। কেউ তলিয়ে মূল ঘটনা যাচাই করবে না।

৫। একা বাবা হিসেবে কোনও পুরুষ কন্যাসন্তান দত্তক নিতে পারেন না। একলা মা অবশ্য পুত্রসন্তান দত্তক নিতে পারেন।

৬। সর্বত্র আলাদা লাইনে দাঁড়াতে হবে। ভাবটা এমন যেন, পুরুষ মানেই সুযোগসন্ধানী। যখন তখন যা খুশি করতে পারে।

৭। স্ত্রী বা শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পণ অথবা নির্যাতনের অভিযোগ আনলেই জেল। বিচার পরে হবে।

৮। যখন তখন যে কোনও অভিযোগে পুরুষকে গ্রেফতার করা যায়। কিন্তু মহিলাদের জন্য সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় ছাড় আছে।

৯। মাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক সব পরীক্ষা শুধু যেন মেয়েরাই দেয়। কখনও ছাত্রদের ছবি সংবাদপত্রে ছাপা হয় না। শুধু টুকলির খবরে হয়।

১০। বিয়ের পরে একটি মেয়ের হাউসওয়াইফ হওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু হাউস-হাজব্যান্ড শব্দটাই চালু নেই। যেন পুরুষকে রোজগেরে হতেই হবে।

১১। বেকার মেয়ের বিয়ের অধিকার আছে কিন্তু পুরুষকে ভাল চাকরি, বাড়ি, গাড়ি ইত্যাদি অর্জনের পরীক্ষায় পাশ করতেই হয়।

১২। একটি মেয়ে স্বামীর সেবা করলে ‘পতিব্রতা’ বলে সুখ্যাতি, আর পুরুষ বউয়ের দিকে মনোযোগ দিলেই ‘জরু কা গুলাম’।

উপরে