আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৮:৫২

খাঁচায় বন্দী কুকুরটিকে মৃত্যুদণ্ডের রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
খাঁচায় বন্দী কুকুরটিকে মৃত্যুদণ্ডের রায়

এক মামলায় মালিককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তার কুকুরটিকে জব্দ করেছিল পুলিশ। পরে মালিক ছাড়া পেয়ে গেলেও গত দুই বছর ধরে পুলিশের খাঁচায় বন্দী কুকুরটি। সম্প্রতি আদালত আদেশ দিয়েছেন একে মেরে ফেলার জন্য। স্টেলা নামের এই কুকুরটির অপরাধ কী? না, তার কোনো অপরাধের কথা পুলিশ বলছে না। গত দুই বছর তাদের নজরে থেকে মনে হয়েছে কুকুরটি বিপজ্জনক।

সোমবার বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই গল্প জানা গেছে। প্রতিবেদন মতে, পুলিশ কুকুরটির কাছে কাউকে না যেতে নিষেধ করেছে। তারা চাইছে, কুকুরটি যাতে হাঁটাচলা বা শরীরচর্চ্চা করতে না পারে।

স্টেলাকে আটক করা হয় ২০১৪ সালে। তারপর থেকে  ডেভনে তিন ফুট বাই নয় ফুটের একটি খাঁচায় বন্দী স্টেলা।
কুকুরটি কেন বাইরে হাঁটাচলা করতে পারবে না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ডেভন ও কর্নওয়ালের পুলিশ শুধু বলেছে, কুকুরটি খুবই বিপজ্জনক। নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি আইনের আওতায় কুকুরটিকে আটকে রাখা হয়েছে। তারপর কুকুরটির আচার-আচরণের ওপর  দুই বছর ধরে নজর রাখা হচ্ছে।
কুকুরটিকে হত্যা করার আদেশ অনুমোদন করেছে স্থানীয় একটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য স্টেলার মালিককে সময় দেওয়া হয়েছে ২৮ দিন।

দুই বছর আগে স্টেলার মালিককে যখন অন্য একটি মামলায় আটক করা হয়, তখন তাকেও জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে স্টেলার আচার-আচরণ ও জাতের কারণে পুলিশ তাকে বিপজ্জনক বলে ধারণা করেছিল।
কিন্তু স্টেলার মালিক বলছে, তার কাছে সে খুব স্বাভাবিক ছিল। সে কখনো কারও সঙ্গে সহিংস আচরণ করেনি।
এ নিয়ে গত দুই বছর ধরেই কোর্টে মামলা চলছে। শুনানির সময় স্টেলার আচরণের নানা ভিডিও তুলে ধরা হয়েছে।
আর এই মামলায় স্টেলার মালিক তাকে ফিরে পেতে ১১বার আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।
শেষ পর্যন্ত মালিক হেরে গেছেন এবং আদালত এ মাসেই কুকুরটিকে মেরে ফেলার আদেশ জারি করে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে