আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:২৯

''বিয়ের পর স্ত্রী সেক্স করতে রাজি না হলে, স্বামী মারতেই পারেন''!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
''বিয়ের পর স্ত্রী সেক্স করতে রাজি না হলে, স্বামী মারতেই পারেন''!

বিয়ের পর সেক্স করতে না চাইলে, মারধর করতেই পারেন স্বামী। তাতে দোষের কিছু নেই। ইউনিটেড নেশনস পপুলেশন ফান্ডের করা একটি সমীক্ষায় সম্প্রতি এমনই একটি তথ্য উঠে এসেছে। যেখানে পাকিস্তানের প্রায় ৫৩ শতাংশ মহিলা ঘরোয়া হিংসা নিয়ে ওই কথা জানিয়েছেন।

ঘরোয়া হিংসা নিয়েই চালানো হয়েছিল ওই সমীক্ষা। যেখানে উঠে এসেছে পাকিস্তানের কিশোরী এবং তরুণী মেয়েদের কথা। সমীক্ষা করতে গিয়ে  ইউনিটেড নেশনস পপুলেশন ফান্ড ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী মেয়েদের সঙ্গে ঘরোয়া হিংসা নিয়ে কথা বলেছিল। ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পাকিস্তানি মহিলারা বলছেন, পারিবারিক হিংসার স্বীকার মেয়েরা হতেই পারেন। বিয়ের পরও কোনও স্ত্রী যদি সেক্সে রাজি না হয়, স্বামী তাঁকে  মারধর করেন, তাহলে দোষের কিছু নেই। কারণ, বিয়ের পর স্ত্রী সেক্সে রাজি না হলে, তাঁকে মারধর করা স্বামীর অধিকারের মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ, বিয়ের পর স্ত্রীরা যৌন জীবনে রাজি না হলে, স্বামীরা মারধর করলে, অসুবিধার কিছু নেই।

ওই সীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, পাকিস্তানে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সের যে সমস্ত মেয়েরা নিজেদের ওপর ঘরোয়া হিংসার স্বীকার হয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেক্সে না করায় তার ফল ভুগতে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু, তারপরও নির্যাতিতারা জানিয়েছেন, স্ত্রী শারীরিক সম্পর্কে রাজি না হলে, স্বামী মারধর করতেই পারেন তাঁকে। শুনলে অবাক হয়ে যাবেন, ভারতের ওই প্রতিবেশী দেশের টিনেজদের মধ্যে ৩০ শাতাংশ ইতিমধ্যেই ঘরোয়া হিংসার স্বীকার হয়েছেন।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যেখানে এইচআইভি সংক্রমণের প্রবণতাও বেশি। সেখানে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সের মেয়েরাও এইচআইভির শিকার হচ্ছেন। পাশিপাশি, ১৮ থেকে ২৪ বছরের মেয়েদের অনেকের মধ্যেই সুস্থ যৌন জীবনের জন্য কনডমর ব্যবহার সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনও ধারণা গড়ে ওঠেনি বলেও জানা গিয়েছে ওই সমীক্ষায়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে