আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১০:৩৯

অ্যাবোটাবাদের ঘটনা সাজানো, বেঁচে আছেন ওসামা বিন লাদেন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অ্যাবোটাবাদের ঘটনা সাজানো, বেঁচে আছেন ওসামা বিন লাদেন!

আল-কয়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেন এখনো জীবিত আছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থার একসময়ের কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেন। এই বিষয়ে তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। রোববার (০৭ফেব্রুয়ারি) মস্কো ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেন রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া স্নোডেন।

সাক্ষাৎকারে স্নোডেন বলেন, ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন সেনা অভিযানে মৃত্যু হয়নি ওসামা বিন লাদেনের। তিনি বরাবরই জীবিত ছিলেন এবং এবং এখনও আছেন। এবং পরিবারসহ বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। এমনকি লাদেনের জীবনধারণের জন্য নিয়মিত মাসোহারাও দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। 

স্নোডেনের দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত কোনো দ্বীপে আত্মগোপন করে আছেন লাদেন। পরিবারের সঙ্গে তাঁকে এই গোপন আস্তানায় পাঠিয়ে দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। পাশাপাশি প্রতি মাসে তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা দিচ্ছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।

স্নোডেন বলেন, ‘আমার কাছে প্রমাণ আছে, প্রতি মাসে তিনি (বিন লাদেন) এক লাখ মার্কিন ডলার গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী ও কিছু সংস্থার মাধ্যমে তাঁর অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানো হয়ে থাকে। এখন তিনি কোথায় আছেন, তা ঠিক আমি জানি না। তবে সিআইএর তত্ত্বাবধানে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাহামা দ্বীপপুঞ্জে ছিলেন বিন লাদেন। সঙ্গে তাঁর পাঁচ স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরাও ছিল।’

২০১১ সাল থেকে স্নোডেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) ও জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএর সঙ্গে ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতার অধিকারী এই তরুণ এনএসএর গোয়েন্দা নজরদারি কর্মসূচির বেআইনি কার্যকলাপ ধরে ফেলেন, নিজের কম্পিউটারে গোপনে কপি করে নেন এনএসএর বিপুল পরিমাণ তথ্য ভাণ্ডার।

২০১৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএর ‘টপ সিক্রেট’ শ্রেণির বিপুল পরিমাণ তথ্যের ভাণ্ডার দৈনিক গার্ডিয়ানে প্রকাশ করে দিয়ে মার্কিন রোষানলে পড়েন।এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। এতে রাতারাতি স্বদেশের সরকারের কাছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড আমেরিকান’ হন এডওয়ার্ড স্নোডেন। তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক হুলিয়াও জারি করে আমেরিকার সরকার।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে