আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২২:০৭

অ্যাসাঞ্জকে আটক অবৈধ : জাতিসংঘ

বিডিটাইমস ডেস্ক
অ্যাসাঞ্জকে আটক অবৈধ : জাতিসংঘ

উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতার জন্য স্বস্তির খবর। জাতিসংঘের প্যানেল জানাল, জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জকে আটক করা ‘বেআইনি’। যদিও ব্রিটেনের পক্ষ থেকে পাল্টা জানানো হয়েছে, ইকুয়েডর দূতাবাসের বাইরে এলেই গ্রেফতার করা হবে উইকিলিকস বসকে।

যৌন নিগ্রহের অভিযোগে সুইডেনের হাতে তুলে দেওয়া এড়াতে ২০১২ সালে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। ব্রিটেনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল ইকুয়েডর দূতাবাসের বাইরে এলেই গ্রেফতার করা হবে অ্যাসাঞ্জকে। তার পর থেকে দূতাবাসের এলাকার বাইরে আসেননি তিনি। ২০১৪ সালে অ্যাসাঞ্জ রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে এই মর্মে আবেদন করেন, তাকে যে ‘আটক’ করে রাখা হয়েছে তা বেআইনি, কারণ গ্রেফতার না হয়ে কোনওভাবেই দূতাবাসের বাইরে পা রাখতে পারবেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার অ্যাসাঞ্জ বলেন, ‘রাষ্ট্রসঙ্ঘের কর্মসমিতি (ওয়ার্কিং প্যানেল) যদি আমার বিরুদ্ধে তাদের সিদ্ধান্ত জানায় তাহলে ব্রিটেনের হাতে গ্রেফতার হতেও আমার আপত্তি নেই।’

কিন্তু জাতিসংঘের প্যানেল জানিয়েছে, ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্ত বেআইনি। শুক্রবারই ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয় ছেড়ে বেরনোর কথা অ্যাসাঞ্জের। যদিও সে কথা জানার পরই ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়েছে, তেমন কোনও ঘটনা ঘটলে গ্রেফতারই হতে হবে উইকিলিকসের বছর ৪৪-এর প্রণেতাকে।

তিন বছরেও বেশি সময় ইকুয়েডরের কূটনৈতিক আশ্রয়ে আছেন অ্যাসাঞ্জ। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রেফতারি এড়াতে আইনের সুযোগ নিচ্ছেন তিনি। কিন্তু কোনওভাবেই তিনি গ্রেফতারি এড়াতে পারবেন না বলে দাবি ওই কর্মকর্তার।

২০১০ সালে সুইডেনে দুই মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে। আদালতে দাঁড়িয়ে অ্যাসাঞ্জ জানিয়েছিলেন, একটি ঘটনায় মহিলার সম্মতিক্রমেই তার সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত হন। তিনি কিন্তু কোনও রকম সুরক্ষা ছাড়াই যৌন সংসর্গ করায় ওই মহিলা তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। এবং সুইডেনের আইন অনুযায়ী অসুরক্ষিত যৌনসংসর্গকে ধর্ষণ হিসাবেই গণ্য করা হয়। তবে দ্বিতীয় ঘটনাটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অ্যাসাঞ্জ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে