আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৭:২২

প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাজার গড়ার লক্ষ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে স্বাক্ষরিত হলো ‘ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (টিপিপি)’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতা চুক্তি।
বৃহস্পতিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ১২ দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তবে এখনই চূড়ান্ত হচ্ছে না সবকিছু। জোটের সদস্যরা নিজ নিজ দেশে চুক্তিটি গ্রহণ করতে বা প্রত্যাখ্যান করতে দু’বছর সময় পাচ্ছেন।
চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতির ৪০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করবে এ জোট। জোটভুক্ত সদস্যরা হলো- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ব্রুনেই, চিলি, জাপান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম।

এসব দেশে এখন থেকে সহযোগীদের পণ্য সাশ্রয়ী শুল্কে প্রবেশ করতে পারবে। সেই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের লগ্নি অধিক নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
টিপিপি চুক্তিতে সর্বপ্রথম স্বাক্ষর করেন অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী অ্যান্ড্রিউ রোব। আর সর্বশেষ স্বাক্ষর করেন নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী টোড ম্যাকক্লে।
চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, বিশ্বের অগ্রবর্তী অর্থনীতিগুলোয় এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র এবার বিশেষ সুবিধা পাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিশাল মুক্তবাজার সৃষ্টির ফলে প্রথমেই চাপে পড়বে চীন। একুশ শতকের বাজার ও বিনিয়োগ ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন ঘটাতে পারে এই জোট।
তবে যতোই ভালো দিক সামনে আনা হোক না কেন, টিপিপি চুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডসহ বাকি দেশগুলোয় গত কয়েক মাস ধরে সরব রয়েছেন বিরোধীরা।

বৃহস্পতিবার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মন্ত্রীরা যখন চুক্তি স্বাক্ষর করছেন, অকল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক জেলা তখন বিক্ষোভে মুখর। শুধু তাই নয় অকল্যান্ড হারবার ব্রিজে প্রবেশও বিঘ্নিত হয় এ সময়। পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন কয়েকজন বিক্ষোভকারী।

বিক্ষোভকারীদের ধারণা, এ চুক্তি জাতীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পরিবর্তে গুটি কয়েক ব্যবসায়ীর পকেট ভারী করবে। এতে শ্রমিকদের জন্য কোনো সুসংবাদ নেই।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে