আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৩:৪২

জিকা ভাইরাস, মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে গর্ভবতী মায়ের সন্তানরা

বিডিটাইমস ডেস্ক
জিকা ভাইরাস, মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে গর্ভবতী মায়ের সন্তানরা

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাস দুটোই মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই দুই ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগের লক্ষণ প্রায় একই রকম।ডেঙ্গুর মতো এ রোগটি তীব্র ও প্রাণঘাতী নয়। চিকিৎসা না করালেও জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। 

তবে গর্ভবতী মায়ের সন্তানের জন্য এটি মারাত্মক ক্ষতিকর বলে জানা গেছে। এ রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের জন্ম নেয়া শিশুর মাথা ছোট হয়ে থাকে। এবং পরবর্তীতে ওইসব শিশু মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।   

যেভাবে ছড়ায়
এডিস ইজিপ্টি নামের মশার কামড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে৷ ফলে মশার কামড় থেকে বাঁচার যে উপায়গুলো আছে, সেগুলো মেনে চললেই এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব৷

লক্ষণ
জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত জ্বর, র‌্যাশ (চামড়ায় লাল ফুসকুড়ি), গোড়ালিতে ব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া -এসব লক্ষণ দেখা দেয়৷ এ ছাড়া পেশি, মাথায়ও ব্যথা হতে পারে৷ জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷
গর্ভবতী নারীরা বেশি সাবধান!

প্রতিষেধক নেই
এই রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি৷ ফলে সতর্ক থাকাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ৷ অবশ্য এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা বিরল৷

প্রতিরোধ
প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ। এই মশা যেন কামড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। স্বচ্ছ-পরিষ্কার পানিতে এরা ডিম পাড়ে। ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দসই নয়। তাই এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একমাত্র সচেতনতা ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

উপসর্গ:
জ্বর, ফুসকুড়ি, হাড়ের জোড়ায় ব্যথা, চোখের প্রদাহ

 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে